প্রকাশ্যে বিমল গুরুং, এনডিএ ছেড়ে এবার সমর্থন মমতাকে

0

এনডিএ-র সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। তিনি এদিন জানান, তিনি এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করবেন। মমতাকেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। কারণ গোর্খাল্যান্ডের জন্য বিজেপি কিছুই করেনি। তাঁর বিরুদ্ধে UAPA ধারা সহ বহু মামলায় অভিযুক্ত তিনবছর ধরে বিমল গুরুংকে ‘খুঁজে পাচ্ছিল না’ রাজ্য পুলিশ। যদিও গুরুং জানান, তিনি দিল্লিতেই ছিলেন। তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। বুধবার আচমকাই কলকাতায় এলেন, সাংবাদিক বৈঠকও করলেন স্বমহিমায়। বিকেল পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকে গোর্খাভবনের সামনে গাড়িতেই তাঁকে আধঘন্টা মতো অপেক্ষা করতে হল। গাড়িতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন গেরুয়া বসন পরা এক ব্যক্তি। যদিও তাঁর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। অনেক ডাকাডাকির পরও গোর্খাভবনের নিরাপত্তারক্ষীরা সদর দরজা খোলেননি। ফলে বাধ্য হয়েই মিনিট চল্লিশের পর তাঁকে সেখান থেকে চলে যেতে হল। পরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিমল গুরুং বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল শাসকদলের সঙ্গে জোট বেধেই লড়তে চান। কারণ বিজেপি বিগত ৬ বছরে পাহাড়ের জন্য কিছুই করেনি।

সূত্রের খবর, গোর্খা ভবনের ভিতরে ছিলেন কয়েকজন জিটিএ আধিকারিক। তবুও খোলা হয়নি গেট। বিমল গুরুংদের জানিয়ে দেওয়া হয় কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিকে সাংবাদিক সম্মেলন করতে দেওয়া যাবে না গোর্খা ভবনে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে দার্জিলিংয়ে অশান্তির পর বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে UAPA-র ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশকর্মী অমিতাভ মালিক খুনের মামলাও রয়েছে। পাশাপাশি একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে। সেই ২০১৭ সাল থেকেই নিরুদ্দেশ ছিলেন গুরুং। তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজছে সিআইডি-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক তদন্তকারী সংস্থা। এরমধ্যে তিনি এক অজ্ঞাত স্থান থেকে একাধিক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এরপর প্রায় তিনবছর পর আচমকাই তাঁকে দেখা গেল গোর্খা ভবনের সামনে। এরপর তিনি ওই গাড়িতেই কলকাতার দিকে চলে যান।