শিরোনাম
maheshtala-ferryghat-dangerous-accident
Ferry: মহেশতলার ফেরিঘাট বিপজ্জনক, ঘটছে দুর্ঘটনা


Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2021-11-25 08:47:51

দক্ষিণ শহরতলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল মহেশতলা-নুঙ্গি ফেরিঘাট। এই ফেরিঘাট থেকে প্রত্যেকদিন হাজারেরও বেশি মানুষ হাওড়া-সারেঙ্গা এবং হাওড়া-হীরাপুরে যাতায়াত করে। কিন্তু ফেরিঘাটের অবস্থা অত্যন্ত বিপজ্জ্নক। ভাটার সময় ফেরিঘাটে প্রায় ২০০ মিটার মতো কাদা, নুড়ি-পাথরে ভরে যায় পাড়। আর তা পেরিয়ে নৌকায় উঠতে হয়। প্রতিদিনই ঘটে যায় ছোটখাট দুর্ঘটনা।

উল্লেখ্য, বহু মহিলা ও বাচ্চাদের এই ফেরিঘাটে যাতায়াত করার সময় পড়ে গিয়ে হাত-পা ভেঙেছে। পাশেই রয়েছে পাকা জেটিঘাট, কিন্তু এক বছর আগে মুখ্যমন্ত্রীর হাত দিয়ে উদ্বোধন হলেও বাস্তবে পরিষেবা চালু হয়নি। সেই নিয়েই প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষজন।

মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান দুলাল দাস বলেন, নুঙ্গি ফেরিঘাট থেকে হাওড়ার সাঁকরাইল পারাপার হওয়ার জন্য লঞ্চ পরিষেবা চালু হওয়ার কথা ছিল। পাশাপাশি জেটি তৈরি থাকলেও লঞ্চের অভাবে এই পরিষেবা দিতে তাঁরা ব্যর্থ হচ্ছেন। তাছাড়াও হাওড়া জেলা পরিষদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের ভিতর সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এই সমন্বয় ভীষণ দরকার। পরিবহণ দফতরও এসে মিটিং করে গেছে। তারাও চালাতে ইচ্ছুক।

নৌকার মাঝি জানান, নুঙ্গি থেকে সারেঙ্গা পারাপার চলে নৌকা দিয়ে। নুঙ্গির পাড়ের অবস্থা খুবই খারাপ। প্রায়ই লোকের হাত-পা ভাঙছে। জোয়ার থাকলে তবুও মন্দিরঘাট ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ওটা স্নানঘাট হওয়ায় অনেকেই আপত্তি জানায়। ভাটার সময় খুব সংকটের মধ্যে পড়েন সকলে। দুবছর হয়েছে জেটি তৈরি হয়ে গেছে। তবুও পরিষেবা এখনও চালু হয়নি।

সুমেদা মজুমদার নামে এক যাত্রী জানান, নুড়ি-কাদা এই খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে বারবার বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। পড়ে গিয়ে হাত-পায়েও চোট লেগেছে কয়েকবার। বারবার বলেও কোনও সমাধান হয়নি। প্রশাসন যদি একটু উদ্যোগ নিয়ে এই পরিস্থিতি ঠিক করে দেয়, তাহলে নিত্যযাত্রীদের জন্য খুবই ভালো হয় বলে জানালেন ওই নার্সিং স্টুডেন্ট।

প্রসঙ্গত, দিনের বেলায় এরকম বিপজ্জনক এই ফেরি পারাপার। রাতের বেলায় তার থেকেও বেশি বিপজ্জ্নক অবস্থা হয় ফেরি পারাপারে। কবে এই অসুবিধা থেকে মুক্তি পাবে মানুষজন, সে নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।




All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us