ব্রেকিং নিউজ
jhargram-bengal-shal-tree-
Jhargram: ঝাড়গ্রামে আস্ত শাল গাছ কেটে পাচারের চেষ্টা


Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2021-11-20 14:08:38


পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ অন্যতম। আর সেই গাছই কেউ বা কারা যথেচ্ছভাবে কেটে নিয়ে যাচ্ছে। শহর কলকাতা কিংবা শহরতলিতে একের পর এক বহুতল তৈরির জন্য যেমন নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে বড় বড় গাছ, তেমনি জেলাতেও এই ধরনের ঘটনা থেমে নেই।

বন দফতরের জায়গা থেকে শাল গাছ কেটে পাচারের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ঝাড়গ্রাম শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের এক জুনিয়র হাইস্কুলের পিছনে। সেই কাটা গাছ সংবাদ মাধ্যমের তৎপরতায় উদ্ধার করল বন দফতর। আর এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। ক্ষোভ বাড়ছে বন দফতরের বিরুদ্ধেও।

ঝাড়গ্রাম শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের নৃপেনপল্লি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ওই এলাকায় একটি জুনিয়র হাইস্কুলের পিছনে ঝোপে লুকানো ছিল একটি কাটা শাল গাছ। যার মূল্য আনুমানিক লক্ষাধিক টাকা বলে বন দফতর জানিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে যান। তাঁরাই বন দফতরে খবর দেন। এরপর ঝাড়গ্রাম  বন দফতরের পক্ষ থেকে লোকজন পাঠিয়ে উদ্ধার করা হয় শাল গাছটি। এদিকে এই ঘটনায় স্থানীয় মানুষজন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বন দফতরের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ জঙ্গলগুলির উপর নজরদারি না থাকার জন্য দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে জঙ্গল কেটে সাফ করে দিচ্ছে। জঙ্গল ফাঁকা হওয়ার জন্য হাতি লোকালয়ের কাছাকাছি চলে আসছে। কুড়মি নেতা আশোক মাহাতো বলেন, লোধা সম্প্রদায়ের মানুষজন জঙ্গল থেকে শুকনো ডালপালা সংগ্রহ করলে বন দফতর কেস দিচ্ছে। অথচ জঙ্গল সাফ হচ্ছে, হুঁশ নেই বন দফতরের।

জঙ্গল বাঁচলে মানুষ বাঁচবে, হাতি বাঁচবে, বাঁচবে জঙ্গল ঘিরে অর্থনীতি। ঠিক থাকবে পরিবেশ। তাই শালজঙ্গল বাঁচানোর লড়াই করছেন ভূমিপুত্ররা। অন্যদিকে বন দফতরের উদাসীনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন ঝাড়গ্রামের মানুষরা।

করোনা মহামারী চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের বিকল্প নেই। অথচ সব জেনেবুঝেও স্রেফ ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যই কেটে ফেলা হচ্ছে একের পর এক গাছ। শুক্রবার বরাহনগর পুরসভার ঘোষপাড়া বিটি রোডেও আবাসন তৈরির জন্য গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছিল। 

এখন দেখার, প্রশাসন এসব বন্ধে কতখানি সক্রিয় হয়। 




All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us