জগদ্দল গুলিকাণ্ডের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ধৃত মূল অভিযুক্ত করণ যাদব-সহ তিন। রানাঘাটের মামারবাড়িতে লুকিয়ে ছিল করণ। তার সঙ্গেই গা ঢাকা দিয়েছিল টুবাই এবং শুভম। যদিও বন্ধু রোহিতকে সে গুলি করেনি। এদিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে করণ। সে বলেছে, ট্রিগার টানা ছিল, তাই গুলি চলে গিয়েছে।
এদিকে পুলিস সূত্রে খবর, করণ যাদব ফেব্রুয়ারি মাসে ডাকাতির চেষ্টার মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল। জামিনে মুক্ত হয়ে বেরিয়েই এই ঘটনা। তাঁর বিরুদ্ধে ৪০২ ডাকাতির চেষ্টা, ৩৯৯ ,২৫/২৭ আর্মস অ্যাক্ট- সহ একাধিক ধারায় মামলা চলছে।
শনিবারই শুটআউটের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল ভাটপাড়ায়। এবার ফের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই আবার শুটআউটের ঘটনা। এবার শ্যামনগর ২৬ নম্বর রেলগেট শান্তিনিবাস পল্লির বাসিন্দা বছর ১৮ এর রোহিত দাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে খাওয়াদাওয়ার পর বাড়ি থেকে বের হয় রোহিত। এরপর আচমকাই দুষ্কৃতীরা এসে একটি গুলি করে রোহিতের পেটে। তার বাবার অভিযোগ, ছেলেকে গুলি করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। তড়িঘড়ি তাকে গোলঘর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরিবাবের অনুমান, রোহিতের খুনের নেপথ্যে রয়েছে রোহিতেরই দুই বন্ধু করণ ওবং যাদব। করণ এবং রোহিত বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল রাত ৯ টা নাগাদ। একসঙ্গে তারা করণের বাড়িতে খাওয়াদাওয়া করেছিল। তারপর দু-জন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর আর খোঁজ মেলেনি ওই দুই বন্ধুর।