ব্রেকিং নিউজ
  (11:33 AM)-হলদিয়ায় বিএসএনএলের কেওয়াইসি-র নামে অ্যাকাউন্টের সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা লুঠ      (11:30 AM)-রাস্তা হারিয়ে দিশাহারা দশটি দাঁতাল, বাঁকুড়ার ছাতনায় সাত সকালেই দাপাল হাতির দল     (11:29 AM)-শান্তিনিকেতনে জাল নোটের হদিশ     (09:51 AM)-খিদিরপুর ট্রাম ডিপোর নিকটে দুর্ঘটনা, মৃত্যু ১ ব্যক্তির     (09:50 AM)-ভিক্টোরিয়ার সাউথ গেটের সামনে এ জে সি বোস রোড ফ্লাইওভারে ওঠার মুখে বাইক দুর্ঘটনা      (09:48 AM)-গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪৭, মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের     (09:45 AM)-দেশে মোট ওমিক্রন আক্রন্তের সংখ্যা ৯ হাজার ২৮৭ জন     (09:45 AM)-দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের     (09:33 AM)-আমহার্স্ট স্ট্রিট-এর এম এম চ্যাটার্জি রোডে আগুন, ঘটনাস্থলে ৪টি ইঞ্জিন  
uttam-kumar-flight-fobia
Uttam Kumar প্লেনে চড়তে অসম্ভব ভয় পেতেন উত্তমকুমার


Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2021-11-29 10:08:52


মহানায়ক উত্তমকুমার তিনটি জিনিস ভয় করতেন। এক সাপ, দুই ভূত এবং তিন প্লেনে চড়তে। আসলে প্রথম দিকে তিনি যখন প্লেনে চেপেছিলেন, তখন বার দুয়েক আকাশে প্লেন  বড় এয়ার পকেটে পড়ে কিছুক্ষণের জন্য নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যেতে থাকে। এই সময় প্লেনের ভিতর বসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ভীষণরকমের ভীতির সঞ্চার হয়ে থাকে। যথারীতি  উত্তমকুমারও খুব ভয় পেয়েছিলেন । সেই থেকেই  প্লেনে চড়ার সময় ওনার মধ্যে একটা ফোবিয়া কাজ করতো। 

তাই প্রথম দিকে দূরে কোথাও গেলে ট্রেনে যাওয়াই পছন্দ করতেন। মুম্বইতে হিন্দি ছবি প্রযোজনা করার সময় প্রায়ই প্লেনে যাতায়াত করতে হত। এরপরে বার্লিন চলচিত্র উৎসবে নায়ক ছবির প্রদর্শনের জন্য সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে বার্লিন গিয়েছিলেন উত্তম কুমার। উৎসব শেষে সুপ্রিয়া দেবীর সঙ্গে  লন্ডন, প্যারিস, সুইজারল্যান্ড ঘুরে দেশে ফেরেন। সেই সময় অনেকবার প্লেনে লম্বা জার্নি করতে হয়।

 এর কয়েক বছর পরে উনিশশো তিয়াত্তর-চুয়াত্তর সাল থেকে  মৃত্যুর আগে পর্যন্ত  মুম্বইতে হিন্দি ছবিতে অভিনয় করার জন্য ওনাকে মাসে পনেরো দিন অন্তর কলকাতা- মুম্বই-কলকাতা উড়ে বেড়াতে হত। নিয়মিত প্লেনে যাতায়াত করতে করতে ওনার ভয় কিছুটা কেটেছিল। 

তবে যখনই প্লেনে চাপতেন, তখনই ওনার মধ্যে একটা অস্বস্তি কাজ করত। কিরকম যেন গুম মেরে যেতেন। কোনো কথা বলতেন না। একটা বই খুলে বইয়ের মধ্যে মুখ গুঁজে বসে থাকতেন। একবার বন্দি ছবির শুটিং সেরে বেঙ্গালুরু থেকে  প্লেনে মুম্বই ফিরছিলেন উত্তমকুমার। সঙ্গে ছিলেন সহ অভিনেতা আমজাদ খান। তা আমজাদের সিট ছিল জানালার পাশে। আর তার পাশেরটা উত্তম কুমারের। প্লেন ছাড়ার আগে আমজাদ একটু ইতস্তত হয়ে উত্তমকুমারকে বলেন, দাদা, যদি কিছু মনে না করেন একটা কথা বলি ? উত্তম বলেন, হ্যাঁ হ্যাঁ, নির্দ্বিধায় বলে ফেলো। তখন আমজাদ বলেন, দাদা আপনি যদি এই জানালার পাশের সিটটায় বসেন খুব ভাল হয়। তারপরে লাজুক মুখে বলেন, আসলে আমার একটু ফোবিয়া আছে। এই কথা শুনে হেসে ফেলেন উত্তম। বলেন, কোনও ব্যাপার না। আমি বসছি ওখানে। এদিকে উত্তম যে নিজেই প্লেনে  উঠে অস্বস্তি বোধ করেন, সেকথা আমজাদের কাছে প্রকাশ না করে নিজেই মনে মনে হেসেছিলেন।

 ১৯৭৯ সালে আমেরিকা ও কানাডা যাবার কয়েকদিন আগে উত্তমকুমার প্লেন দুর্ঘটনার উপরে নির্মিত বিখ্যাত ইংরাজি ছবি এয়ারপোর্ট সেভেনটি এইট দেখেছিলেন। তাই দীর্ঘ বিমান যাত্রা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় ছিলেন। যাবার দিন কলকাতা বিমানবন্দরের ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের অফিসে বসে চার পেগ স্কচ পান করে তারপর ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের জাম্বোজেটে চাপেন। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ উত্তম কুমারের আমেরিকা যাতায়াতের টিকিট স্পনসর করেছিল। সেযাত্রায় নিশ্চিন্তেই আমেরিকা, কানাডা ঘুরে এসেছিলেন উত্তম কুমার।




All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us