ব্রেকিং নিউজ
  (11:33 AM)-হলদিয়ায় বিএসএনএলের কেওয়াইসি-র নামে অ্যাকাউন্টের সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা লুঠ      (11:30 AM)-রাস্তা হারিয়ে দিশাহারা দশটি দাঁতাল, বাঁকুড়ার ছাতনায় সাত সকালেই দাপাল হাতির দল     (11:29 AM)-শান্তিনিকেতনে জাল নোটের হদিশ     (09:51 AM)-খিদিরপুর ট্রাম ডিপোর নিকটে দুর্ঘটনা, মৃত্যু ১ ব্যক্তির     (09:50 AM)-ভিক্টোরিয়ার সাউথ গেটের সামনে এ জে সি বোস রোড ফ্লাইওভারে ওঠার মুখে বাইক দুর্ঘটনা      (09:48 AM)-গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪৭, মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের     (09:45 AM)-দেশে মোট ওমিক্রন আক্রন্তের সংখ্যা ৯ হাজার ২৮৭ জন     (09:45 AM)-দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের     (09:33 AM)-আমহার্স্ট স্ট্রিট-এর এম এম চ্যাটার্জি রোডে আগুন, ঘটনাস্থলে ৪টি ইঞ্জিন  
no-house-abas-yojona-oldage-problem
মেলেনি আবাস যোজনার বাড়ি, অসহায় বৃদ্ধা


Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2021-10-25 12:32:26


কথায় আছে, অন্ধের কিবা দিন কিবা রাত! কয়েক বছর আগে স্বামীকে হারিয়েছেন। দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে মারা গিয়েছে। বড় ছেলে কর্মসূত্রে থাকে বাইরে। মেয়েও বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর শ্বশুরবাড়িতে। একাকিত্বের জীবন কাটাতে হচ্ছে এক বৃদ্ধাকে। এই বয়সে এসে এভাবে জীবন কাটানো যে কী কষ্টের, তা ভুক্তভোগীরাই জানেন।  

পুরুলিয়ার বলরামপুর রাঙাডি গ্রামের বৃদ্ধা ঝুরুবালা ঘড়াই। বয়স  আশি বছর। কানে ভালো করে শুনতে পান না। চোখে দেখতে পেলেও তা পরিষ্কার নয়। একা একটি ভাঙা চালাবাড়িতে কাটছে তাঁর জীবন। মাটির উনুনে একবারের মতো তৈরি করে নেন ভাত। না হলে পাড়াপ্রতিবেশীর সাহায্যে জোটে অন্ন। বড় ছেলে তো আলাদা বাড়িতে থাকেন। মেয়েও আর নাকি মায়ের কাছে আসে না। ফলে এই বয়সে তাঁর পাশে কেউই নেই। 

তাই অশ্রুভেজা গলায় বৃদ্ধার আকুতি, আবাস যোজনায় আমার বাড়িটা অন্তত করে দেওয়া হোক। কারণ সামান্য বৃষ্টি হলেই মাথায় কুলো ঢাকা দিয়ে রাত কাটাতে হয়। প্রশাসনের কাছে তিনি বারবার দরবার করেও কোনও সুরাহা পাননি। ফলে চরম ভোগান্তি এবং অসহায়ের মতো তাঁকে দিনযাপন করতে হচ্ছে।  

এদিকে ওই বৃদ্ধা জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে আবাস যোজনার টাকা এসেছে। সেই খবর পাওয়া মাত্রই তিনি পাশ বই নিয়ে একাধিকবার ছুটে গিয়েছেন ব্যাঙ্কে। কিন্তু তাঁকে বারবারই ফিরে আসতে হয়েছে হতাশ হয়ে । আজও আসেনি টাকা। 

 এই বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা ভবানী গড়াই জানান, বৃদ্ধার পরিচয়পত্রে দুটি নাম আছে, তাই নিয়ে একটা সংশয় থেকে যাচ্ছে। সেই কারণেই টাকা পেতে দেরি হচ্ছে। তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, চেষ্টা করা হচ্ছে আবাস যোজনার এই টাকা যাতে দ্রুত তাঁর হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়। 

তাহলে বৃদ্ধার আশা কি একদিন সত্যি হবে? নাকি শেষ বয়সে এসেও এভাবে কষ্টের মধ্যেই তাঁকে দিন কাটাতে হবে, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 





All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us