ব্রেকিং নিউজ
  (11:33 AM)-হলদিয়ায় বিএসএনএলের কেওয়াইসি-র নামে অ্যাকাউন্টের সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা লুঠ      (11:30 AM)-রাস্তা হারিয়ে দিশাহারা দশটি দাঁতাল, বাঁকুড়ার ছাতনায় সাত সকালেই দাপাল হাতির দল     (11:29 AM)-শান্তিনিকেতনে জাল নোটের হদিশ     (09:51 AM)-খিদিরপুর ট্রাম ডিপোর নিকটে দুর্ঘটনা, মৃত্যু ১ ব্যক্তির     (09:50 AM)-ভিক্টোরিয়ার সাউথ গেটের সামনে এ জে সি বোস রোড ফ্লাইওভারে ওঠার মুখে বাইক দুর্ঘটনা      (09:48 AM)-গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪৭, মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের     (09:45 AM)-দেশে মোট ওমিক্রন আক্রন্তের সংখ্যা ৯ হাজার ২৮৭ জন     (09:45 AM)-দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের     (09:33 AM)-আমহার্স্ট স্ট্রিট-এর এম এম চ্যাটার্জি রোডে আগুন, ঘটনাস্থলে ৪টি ইঞ্জিন  
-east-west-metro-under-river-ganga-howrah-station
সেজে উঠছে গঙ্গার নীচে হাওড়া স্টেশন


Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2021-10-29 19:30:25


মেগা প্রোজেক্ট বললেও বোধহয় কম বলা হবে। একদিকে সল্টলেক। অন্যদিকে হাওড়া ময়দান। মাঝে যাত্রাপথের দৈর্ঘ্য ১৬.৬ কিলোমিটার। যার মধ্যে ১০.৮ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ, বাকিটা এলিভেটেড করিডর। প্রাথমিকভাবে খরচ ধরা হয়েছিল প্রায় ৮ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা। 

কিন্তু এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় চমক হল, কলকাতা এবং হাওড়া, অর্থাৎ টুইন সিটিকে জুড়তে গিয়ে লাইন নিয়ে যেতে হচ্ছে গঙ্গার নীচ দিয়ে। দুটি সমান্তরাল টানেল গঙ্গার  নীচ দিয়ে যাচ্ছে, একটি পূর্বমুখী এবং অন্যটি পশ্চিমমুখী। 

অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। হাওড়া ও কলকাতার মধ্যে সংযোগকারী এশিয়ার গর্ব এবং সবচেয়ে গভীরতম মেট্রোরেল স্টেশন নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। গঙ্গার নিচে মেট্রো টানেলের হাওড়া স্টেশনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আশা করা যায় আগামী বছরের শেষের দিকে এই ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো স্টেশনের হাওড়ার দিকে হাওড়া ময়দানের পর দ্বিতীয় স্টেশন চালু হয়ে যাবে জনসাধারণের জন্য। এই স্টেশনের গভীরতা ৩৩ মিটার। লম্বায় এটি ২১০ মিটার। চওড়ায় ৬৫ মিটার। যা এশিয়ার বৃহত্তম মেট্রো স্টেশন।

দুটি আপ এবং দুটি ডাউন স্টেশন তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। প্ল্যাটফর্মে লাগানো ফলস সিলিংয়ে  থাকছে সেন্সর।। নিরাপত্তার কারণে প্রতি প্ল্যাটফর্মে থাকছে স্লাইডিং ডোর। ট্রেন প্লাটফর্মে পৌঁছনোর পর খুলবে সেই স্লাইডিং ডোর। যাত্রীরা ট্রেনে না চড়া পর্যন্ত খোলা থাকবে ডোর। ট্রেন ছাড়ার পর তা বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও থাকছে বারোটি ফায়ার এক্সটিংগুইশার। রেললাইনের গা ঘেঁষে টিউব ওয়ালে তৈরি করা হয়েছে ইমারজেন্সি ওয়াকওয়ে। অর্থাৎ জলের নিচে যাত্রীদের সুরক্ষার বিষয়টিতেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল ফায়ার প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশনের গাইডলাইন মেনে থাকছে ইমার্জেন্সি ইভাকুয়েশন স্যাফট। 

গঙ্গার নিচ দিয়ে চালকবিহীন ১১ বগির মেট্রো চলবে হাওড়া থেকে। এক অনন্য অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় যাত্রীরাও। সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে শীঘ্রই। আগামী বছরই এই পরিষেবা পেতে চলেছেন বঙ্গবাসী। এমনটাই জানা গেল মেট্রো রেল সূত্রে।





All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us