ব্রেকিং নিউজ
  (11:33 AM)-হলদিয়ায় বিএসএনএলের কেওয়াইসি-র নামে অ্যাকাউন্টের সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা লুঠ      (11:30 AM)-রাস্তা হারিয়ে দিশাহারা দশটি দাঁতাল, বাঁকুড়ার ছাতনায় সাত সকালেই দাপাল হাতির দল     (11:29 AM)-শান্তিনিকেতনে জাল নোটের হদিশ     (09:51 AM)-খিদিরপুর ট্রাম ডিপোর নিকটে দুর্ঘটনা, মৃত্যু ১ ব্যক্তির     (09:50 AM)-ভিক্টোরিয়ার সাউথ গেটের সামনে এ জে সি বোস রোড ফ্লাইওভারে ওঠার মুখে বাইক দুর্ঘটনা      (09:48 AM)-গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪৭, মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের     (09:45 AM)-দেশে মোট ওমিক্রন আক্রন্তের সংখ্যা ৯ হাজার ২৮৭ জন     (09:45 AM)-দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৯১ জনের     (09:33 AM)-আমহার্স্ট স্ট্রিট-এর এম এম চ্যাটার্জি রোডে আগুন, ঘটনাস্থলে ৪টি ইঞ্জিন  
Old-mother-at-the-age-of-70
৭০ বছরে সন্তানের মা!


Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2021-10-23 16:19:54


এ যেন শবরীর প্রতীক্ষা। দু-পাঁচ বছর নয়, টানা ৪৫ বছর। অবশেষে এল সেই সুখের ক্ষণ।

সালটা ২০১৬। উত্তর হরিয়ানায় বছর ৭০ এর এক মহিলা জন্ম দিয়েছিলেন সন্তানের। সেই দিনটিই যেন ফিরে এল গুজরাটে।

পশ্চিম গুজরাটের বাসিন্দা জিভুনবেন রাবারি। বয়স নয় নয় করে ৭০ তো হবেই। বিবাহিত জীবনও দেখতে দেখতে পার হয়েছে ৪৫ বছর। কিন্তু সন্তানসুখ যে কী এক অনাবিল আনন্দ বয়ে আনে, সেই অনুভূতি তাঁর কাছে অধরাই হয়ে ছিল।

মুশকিল আসান হল অদম্য জেদ আর নবজাতকের মুখ দেখার আকূল ইচ্ছা।ডাক্তারদের আশঙ্কা, উত্কন্ঠাকে দূরে ঠেলে মা হলেন জিভুনবেন।ঘর আলো করে এল চাঁদের কণা।যাত্রাপথটা অবশ্য সহজ ছিল না।এতখানি বয়েস। তাই ঝুঁকি ছিল পদে পদে। কিন্তু নাছোড় দম্পতি।

অগত্যা পথ বলতে আইভিএফ। ইন ভির্টো ফার্টিলাইজেশন। মায়ের ধুকপুকানি একদিন শোনা গেল গর্ভের সন্তানের কাছ থেকে।আনন্দে চকচক করে উঠল দম্পতির চোখমুখ।এ যেন যুদ্ধজয়ের আনন্দ।হ্যাঁ, তিনি পেরেছেন। ৭০ বছর বয়সে যখন নাতি-নাতনির ভালোবাসায় ডুবে থাকার কথা, তখন তিনি হলেন মা।

চিকিত্সকরা বলছেন, এ মিরাকল ছাড়া আর কী! যে ডাক্তার এই কাজটি করেছেন, তিনি নয় নয় করে হাজারের ওপর আইভিএফ করেছেন। তাঁর কাছেও কাজটা ছিল রীতিমতো টাফ। কারণ, পদ্ধতিতে যাওয়ার আগে ছোটখাট অপারেশনও করতে হয়েছিল।

সবচেয়ে বড় কথা, আইভিএফ পদ্ধতি শুরু হওয়ার পর থেকে কখনও কোথাও এতটুকু জটিলতা তৈরি হয়নি। বয়সজনিত বিপদের আশঙ্কা তো ছিলই। তাই শুরুতেই ডাক্তার বারবার বারণ করেছিলেন, সতর্ক করেছিলেন, এ পথ ঝুঁকির পথ। কিন্তু দমানো যায়নি। এক সময় দম্পতি ডাক্তারের সামনে কেঁদেও ফেলেছিলেন। 

যাই হোক, শেষমেশ প্রতিটি দুশ্চিন্তার ধাপই সসম্মানে উতরে গেছেন তিনি।এখন তাঁদের চেয়ে সুখী আর কে??





All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us