ভাঙড়ে ৫ আসনে জয় কমিটির, জিতলেন আরাবুল, ছেলেও

0
261

পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারছিলেন না ভাঙড়ের জমি-জীবিকা-বাস্তুতন্ত্র বাঁচাও কমিটি। আদালত বলেছিল হোয়াটসঅ্যাপে জমা তাদের মনোনয়ন গ্রাহ্য করতে হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পোলেরহাটে ২ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতে কমিটির ৮ জন প্রার্থীর ৫ জনই জয়ী হয়েছেন। ভাঙড়েরই ২ নম্বর পঞ্চায়েতে জয়ী জেলে বন্দি তৃণমূলের আরাবুল ইসলাম। জিতেছেন তাঁর ছেলে হাসিবুলও। অন্যদিকে, অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুকে জয় পেয়েছেন বিজেপির দুধকুমার মণ্ডল। ময়ুরেশ্বরে পঞ্চায়েত বিজেপির হাতছাড়া হলেও জয়ী দুধকুমার। মল্লারপুর ও গণপুরেও পঞ্চায়েত পেয়েছে পদ্মফুল। এদিকে বিরোধীদের লোকসভায় দেখে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানালেন অনুব্রত মন্ডল। তাঁর দাপটে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খায়। বীরভূমের মুকুটহীন সম্রাট তিনি। অথচ সেই কেষ্টর গড়েই কিনা ঢুকে পড়ল বিজেপি। যদিও মাত্র দুটি পঞ্চায়েত দখল করে কোনও রকমে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছে বিজেপি। কিন্তু একটুর জন্য অধরা থেকে গেল বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েতের স্বপ্ন। রাগ হওয়াই স্বাভাবিক। জ্বরের ওষুধ বা ক্যাপসূল থিওরি পুরোপুরি কাজে এলনা। বাইরে থেকে নির্বিকার দেখালেও ভিতরে ভিতরে যথেষ্টই ক্ষুদ্ধ কেষ্ট। সেই আঁচ পাওয়া গেলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই। পঞ্চায়েতে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে না পৌঁছলেও লোকসভায় যে একচুলও জমি ছাড়বেন না, তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। বিরোধীদের সামনে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি জানালেন, “লোকসভায় দেখাব”। এরপরেই বক্তব্য, “আমি এখনও বলব, উন্নয়ন দাঁড়িয়ে আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দেখেই মানুষ ভোট দিয়েছে খুশি। আমি আগেও খুশি ছিলাম, এখনও খুশি, বরাবরই খুশি”। তবে এখন আর নয়, বাকিটা বলবেন বেলা তিনটের পর। শেষপর্যন্ত কি বলেন, এখন সেটাই দেখার।