মমতার পাশে মায়াবতীরা

0
532

পশ্চিমবঙ্গে প্রচারের সময় কাটছাঁট করা নিয়ে তৃণমূলের পাশে দাঁড়াল জাতীয় স্তরের বিরোধীরা। মোদি, অমিত শাহ টার্গেট করেছেন মমতাকে। এটা বিপজ্জনক বলে তৃণমূল নেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে মন্তব্য মায়াবতীর। বিজেপির কাছে কমিশন আত্মসমপর্ণ করেছে বলে প্রতিক্রিয়া কংগ্রেসের। কলকাতায় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের রোড শোকে কেন্দ্র করে অশান্তির কারণে শেষ দফা প্রচারের সময়সীমা কমিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নজির বিহীনভাবে প্রচার শেষের সময় এগিয়ে আনা হয়েছে প্রায় ২০ ঘণ্টা। প্রথাগতভাবে শুক্রবার সন্ধে ৬টার সময় রাজ্যের ৯টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রচার শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে তা এগিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা করা হয়েছে। আর এই নিষেধাজ্ঞা শুরুর সময়টা নিয়েই আপত্তি বিরোধীদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরাসরি অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সুবিধার জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। কারণ এদিনই রাজ্যে দুটি সভা মোদির। প্রধানমন্ত্রীর সভা শেষে নিষেধাজ্ঞার সময় শুরু হচ্ছে বলে মমতার মতোই মনে করছে অন্যান্য বিরোধী দল। এদিন মমতার পাশে দাঁড়িয়ে তোপ দেগেছেন মায়াবতী থেকে কংগ্রেস নেতৃত্ব। কমিশনের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে মোদি-অমিত জুটিকেও নিশানা করেন উত্তরপ্রদেশের বেহেনজি। মায়াবতী অভিযোগ করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিকল্পিত ভাবে আক্রমণ করছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি সভাপতি। দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই ধরণের আচরণ প্রত্যাশিত নয় বলেও মন্তব্য মায়ার।
এই ঘটনা শাসকদলের কাছে কমিশনের মাথা নত করার জ্বলন্ত উদাহরণ বলে মনে করছে কংগ্রেস। মডেল কোড অব কনডাক্ট এখন মোদি কোড অব মিস কনডাক্টে পরিণত হয়েছে বলে কটাক্ষ করেছেন দলের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা। হারছে জেনেই বিজেপি এসব করাচ্ছে বলে সরাসরি অভিযোগ করেছেন লালু পুত্র তথা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। যদিও এসব অভিযোগকে গুরুত্ব দিতেই রাজি নয় গেরুয়া ব্রিগেড। এই সব অভিযোগের চাপানউতোর নিয়ে আমজনতা কী ভাবছেন? তা জানা যাবে ২৩ মে। আমজনতার রায় জানতে আর কয়েকদিনের অপেক্ষা।