পঞ্চায়েত মামলা শুনল না সুপ্রিম কোর্ট, পাঠাল হাইকোর্টে

0
155

পঞ্চায়েত মামলায় এবারও হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার তারা জানিয়ে দিল, মনোনয়ন পেশের সময়সীমা বৃদ্ধি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্টই। বাম ও বিজেপিকে নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালতের বিচারপতি আর কে আগরওয়াল ও বিচারপতি অভয় মনোহর সাপ্রের ডিভিশন বেঞ্চ। মনোনয়ন পেশের মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে নির্দেশিকা প্রত্যাহার করায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি ও বাম। দুটি দলই পৃথকভাবে মামলা দায়ের করে। অন্যদিকে, হাইকোর্টে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি হল না বুধবার । বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে। বিজেপির তরফে কোনও আইনজীবী না থাকায় শুনানি হয়নি। বিজেপির কোনও আইনজীবী হাজির না থাকায় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার বিস্ময় প্রকাশ করেন। তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন হাইকোর্টে বলেন, বিজেপি সুপ্রিম কোর্টেও গতকাল মামলা দায়ের করেছে। সেই তথ্য গোপন করেছে তারা। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে একই মামলা চলতে পারে না হাইকোর্ট জানায়নি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় বৃদ্ধি করার নির্দেশ বাতিল নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তির ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে হাইকোর্ট। বিজেপির মামলার জেরে স্থগিতাদেশ দেয় বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের চেম্বার। তারই জবাবে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। তথ্যগোপন হয়ে থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিচারপতি জানান।
উল্লেখ্য, শাসক দলের বাধায় তাদের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারছেন না, এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। তাদের আবেদন ছিল, মনোনয়ন পেশের সময়সীমা বাড়াতে হবে, অনলাইনে মনোনয়ন পেশের সুবিধা দিতে হবে, প্রার্থীদের নিরাপত্তা দিতে হবে ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। কিন্তু সেই আর্জিতে সাড়া দেয়নি সর্বোচ্চ আদালত। জানিয়ে দেওয়া হয়, রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না সুপ্রিম কোর্ট। বিজেপির চারটি আবেদনই এক ধাক্কায় খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আর কে অগ্রবাল ও অভয়মোহন সাপ্রের বেঞ্চ। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল, পঞ্চায়েত ভোটে তারা কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। তবে প্রার্থীরা যে কোনও প্রয়োজনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে পারে।