চলে গেলেন স্টিফেন হকিং

0
79

ডাক্তাররা বলেছিলেন তাঁর আয়ু বড়জোর আর দু বছর। তাঁদের সব ভবিষদ্বাণী উড়িয়ে তিনি বেঁচে ছিলেন আরও ৫৫ বছর। অবশেষে ৭৬ বছরে চলে গেলেন স্টিফেন হকিং। ১৯৬৩ সালে তাঁর দুরারোগ্য মোটর নিউরন স্নায়ুরোগ ধরা পড়ে। সেই মারণ রোগকে হেলায় তুচ্ছ করে হকিং ভর্তি হয়েছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে। হয়ে উঠেছিলেন আলবার্ট আইনস্টাইনের পর সবথেকে খ্যাতিমান পদার্থবিদ। কেমবির্জে তাঁর বাড়িতেই মৃত্যু হয় এই বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানীর। তাঁর তিন সন্তান লুসি, রবার্ট এবং টিম জানিয়েছেন তাঁদের বাবার মৃত্যুর সংবাদ।
জন্ম ১৯৪২ সালে। কৃষ্ণ গহ্বর নিয়ে তাঁর কাজ তাঁকে পরিচিত করেছিল বিজ্ঞানীমহলে। কৃষ্ণগহ্বর আসলে রেডিয়েশনেরই একটা ধরণ, বলেছিলেন তিনি। ওই রেডিয়েশনের নামই হয়ে যায় হকিং রেডিয়েশন। কোয়ানটাম ফিজিক্সের নতুন তত্ত্বগুলির সঙ্গে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্বকে অঙ্ক দিয়ে মেলানোর কাজও করেছেন তিনি। ১৯৮৮ সালে আ ব্রিফ হিস্টরি অফ টাইমঃ ফ্রম বিগ ব্যাং টু ব্ল্যাক হোলস বইটি তাঁকে খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে দেয়। বেস্টসেলার এই বইটি কুড়ি বছরে বিক্রি হয়েছে ১ কোটি। চারবছর ধরে সানডে টাইমসের বেস্ট সেলার তালিকায় ছিল সেটি। বইটির অনবাদ হয় ৪০টি ভাষায়। রবার্ট পেনরোসের সঙ্গে বিগ ব্যাং নিয়ে তাঁর কাজ নজর কাড়ে সকলের। তিনি পেয়েছিলেন আইনস্টাইন পুরস্কার, উলফ পুরস্কার, কোপলে মেডেল এবং ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্স পুরস্কার। কিন্তু পাননি নোবেল পুরস্কার। দ্য থিওরি অফ এভরিথিং ফিল্মটি ছিল তাঁরে কেন্দ্র করেই।