কেন এত অসহায় রাজ্যের পুলিশ? প্রশ্ন পুলিশের অন্দরেই

0
1865

মালদহের মিলকি ফাঁড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফাঁড়ি পোড়ানোর ঘটনায় একটি স্বতপ্রণোদিত মামলাও রুজু করেছে মালদা জেলা পুলিশ। এদিকে ঘটনার জেরে গোটা এলাকা থমথমে। রবিবার রাত থেকেই এলাকায় ব্যপক পুলিশি টহলদারি চলছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশিও চালাচ্ছে পুলিশ। শনিবার রাতেই ঘটনাস্থলে যান প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র। রবিবার ভস্মীভূত ফাঁড়ি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন এলাকার কংগ্রেস বিধায়ক মুস্তাকিম আলাম। উল্লেখ্য, জুয়ার ঠেক থেকে ধৃত এক ব্যক্তির পুলিস হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাতে ফাঁড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল উত্তেজিত জনতা। পুলিশের গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। অপরদিকে,পুলিশ হেফাজতে আইনুল খান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। পুলিশের মারেই মৃত্যু? না কি মৃত্যুর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ। তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। অভিযুক্তকে লকআপে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে। তাহলে সিভিক ভলান্টিয়ারদের এই দায়িত্ব দিল কে? প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা মানবেন্দ্র চক্রবর্তী।

অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে সেই পুলিসের ওপরই হামলা চালানোর অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, রবিবার আনন্দপুর থানার পুলিশকর্মীরা টহলদারিতে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় কেশপুর ব্লকের কমরআইমা গ্রামের কাছে হঠাৎই তাদের ওপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী।আহত চার পুলিশকর্মী ভর্তি মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে ও হাসপাতালে। পুলিসের ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেফতার ৩। কেশপুর থেকে মিলকি, চিত্রটা একই।যাদের বিরুদ্ধে আইনরক্ষকের দায়িত্ব তারা থানা বাঁচানো তো দূরের কথা নিজেদেরই বাঁচাতে হিমসিম খাচ্ছেন।কেন এত অসহায় হচ্ছে পুলিস? এতে কি আরও প্রশয় পাবে দুষ্কৃতীরা? প্রশ্নটা ঘুরছে পুলিসের অন্দরেও।