লক্ষ্মী পুজোতেও বিষাদের সুর সিঙ্গুরে!

0
564

রাত পোহালেই কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। ঘরে ঘরে লক্ষ্মীর বন্দনায় ব্যস্ত থাকবেন বঙ্গবাসী। কিন্ত কেমন আছে সিঙ্গুর? সেখানে কি আদৌ ঘরে ঘরে চলছে লক্ষ্মী পুজোর প্রস্ততি? শিল্প কিংবা চাষ কোনওটাই হয়নি সিঙ্গুরে। একঘেয়ে মনখারাপের দিনগুলোও যেন কাটে না কিছুতেই। বিজেপির দাবি, কৃষি ও শিল্প যখন একসঙ্গে হবে তখনই সিঙ্গুরে বিরাজ করবেন মা লক্ষ্মী। বাম আমলে বহু ফসলি জমিতে সিঙ্গুরে শিল্প করার উদ্যোগ নেওয়া নিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তাই টাটার ন্যানো গাড়ি তৈরির উদ্যোগকে ঘিরে নতুন করে স্বপ্নও দেখেছিলেন সিঙ্গুরবাসী। তারপর কৃষিজমিতে শিল্প করা যাবে না, এই নিয়ে আন্দোলন শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই আন্দোলনের সাক্ষী ছিল গোটা বাংলা। দীর্ঘ আন্দোলনের জেরে সিঙ্গুর থেকে বিদায় নিয়েছে শিল্প। কিন্তু ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি বেশিরভাগ কৃষিজমি। তাই সিঙ্গুরবাসীর বক্তব্য, শুধু শিল্প নয়, সিঙ্গুরের ঘর ঘরে লক্ষ্মী পুজোর আনন্দও বিদায় নিয়েছে এখন। বহু ফসলি জমিই ছিল সিঙ্গুরবাসীর কাছে মা লক্ষ্মী। সেই জমিই আজ পরিত্যক্তা। একটা সময় লক্ষ্মীপুজোর রাতে কোজাগরী পূর্ণিমার আলোয় ভেসে যেত সিঙ্গুরের মাটি। এবারও জোৎস্নায় ভিজবে সিঙ্গুর। কিন্ত সেই আলো কি আদৌ দোলা দেবে সিঙ্গুরবাসীর মনে? নাকি লক্ষ্মীপুজোর রাতেও পাঁচিল ঘেরা সেই জমি দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন সিঙ্গুরবাসী। প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছে গোটা সিঙ্গুর জুড়ে।