বারাণসীতে মোদি-শত্রুঘ্ন দ্বৈরথ?

0
132

বারাণসীতে মোদির বিরুদ্ধেই কি লড়বেন শত্রুঘ্ন সিনহা? ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা। তাও আবার সমাজবাদী পার্টির টিকিটে। ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম উঠে এসেছে। বিশেষ করে কায়স্থ সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তার জন্যই এমনটা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিজেপিতে মোদি বিরোধী নেতাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। বহুবার মোদির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দলকে বিপদেও ফেলেছিলেন বিহারীবাবু। এজন্য তাঁকে দলের অনেকেই শত্রুঘ্ন নন ‘শটগান’ বলেও ডাকেন। এটা এখনও আলোচনার পর্যায়ে। কেননা, তাহলে সবার আগে তাঁকে বিজেপি ছাড়তে হবে। যদিও এই ব্যাপারে এখনও পরিষ্কার কিছু জানা যায়নি। সমাজবাদী পার্টি সূত্রে জানা গেছে, এই নিয়ে পার্টির অন্দরেও জোর আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই প্রকৃত সত্য জানা যাবে। আরও জানা গেছে, সমাজবাদী পার্টি থেকে আপের সঙ্গেও কথাবার্তা চলছে। কারণ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ২০১৪ সালে বারাণসী থেকে দ্বিতীয় হয়েছিলেন। তাঁদেরও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চলছে। শত্রুঘ্ন সিনহা মোদির বিপরীতে। খুব একটা ভুল দেখছেন না বারাণসীর সিনিয়র রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক অমিতাভ ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, বারাণসীর জনতা সবসময় স্পষ্টবক্তাদের পক্ষেই রায় দিয়েছে। আরা বারাণসীতে বিহারীবাবুর প্রভাব খাটো করে দেখার উপায় নেই। তার পেছনে রয়েছে স্থানীয় কায়স্থ সম্প্রদায়ের মানুষের বিশাল জনসমর্থন। তাছাড়া বারাণসীতে প্রাদেশিকতাবাদের কোনও স্থান নেই। বহুবার বহু বাইরের প্রার্থী এখান থেকে জিতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গ সমাজবাদী পার্টির বারাণসীর শিবপুরের যুগ্ম আহ্বায়ক আনন্দ মোহন জানান, সমস্তটাই নির্ভর করবে সিনহা ও পার্টির সিদ্ধান্তের ওপর। যদি, সত্যিই এরকমটা ঘটে, তাহলে বিপুল ভোটে জিতবেন বিহারীবাবু। এটা একরকম নিশ্চিত।