ত্রানেও দলবাজি চলে, তৃণমূলকে তোপ মুকুলের

0
207

দুর্যোগের রাত পেরোতে না পেরোতেই উদ্ধার কাজেও দলবাজির অভিযোগ উঠছে রাজ্য প্রশাসন ও শাসক দলের বিরুদ্ধে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগ, ত্রাণ না মেলার ও বেছে বেছে শাসকদলের লোকদের হাতেই ত্রাণসামগ্রী দেওয়ার। বুলবুলের কবলে এই অসহায় অবস্থাতেও সরকারকে পাশে না পেয়ে ক্ষুব্ধ দুর্গতরা। বকখালিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। এক স্বেচ্ছাসে‌বী সংগঠনের তর‌ফে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে এসেছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা কং‌গ্রেস নেতা রফিক মোল্লা। না বুঝে তাঁকে ঘিরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন দুর্গতরা। রফিকের কথায়, অনেক বুঝিয়ে ওদের হাত থেকে ছাড়া পেয়েছি। তবে ওই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে কংগ্রেস নেতার দাবি, ঠিকমতো ত্রাণ না পেয়েই এই বিক্ষোভ। অপরদিকে ক্যানিং এলাকার ইটাখোলা-ক্যানিং রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি সকলেই ত্রান ও খাবার পাচ্ছেন না। ফলে পর্যাপ্ত মাত্রায় ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন দুর্গত গ্রামবাসীরা।

রবিবারই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায় এই আশঙ্কাই প্রকাশ করেছিলেন। মুকুলবাবুর দাবি, বিগত সময়ে দুর্যোগের পর ত্রাণ নিয়ে দলাদলি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে খেয়াল রাখতে হবে এবার বুলবুল দুর্গতদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে কী ভূমিকা নেয় রাজ্য সরকার। সরাসরি শাসকদলকে তোপ দেগে মুকুল রায়ের দাবি, যে সমস্ত মানুষ ত্রাণশিবিরে রয়েছেন তাঁদের কোনও জাত, ধর্ম, রাজনৈতিক রং দেখা উচিৎ না। কিন্তু পূর্ব অভিজ্ঞতা অনুযায়ী এই রাজ্যে ত্রাণ নিয়েও দলাদলি হয়। আশাকরি এবার রাজ্য সরকার সেটা করবে না। সেই আশায় রয়েছেন দুর্গতরাও। দুর্যোগের রাত পেরোতেই ত্রাণ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ও বিক্ষোভে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তাঁরা।