গণনাকে কেন্দ্র করে অশান্তির অভিযোগ

0
110

ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। বিরোধীদের লক্ষ্য করে চলল গুলি। গুলিবিদ্ধ হয় ২ বিরোধী সমর্থক। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাছাড়া গাড়ি ভাঙচুরেরও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ৩১ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় সিপিএম ও বিজেপি কর্মীরা। সেসময় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। ভোট গণনা শুরু হতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোচবিহার। ওই জেলার মাথাভাঙায় ভোট গণনাকে কেন্দ্র করেও সংঘর্ষ বাধে নির্দল ও তৃণমূলের মধ্যে। অভিযোগ, প্রথমেই বিজেপি এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পরেই নির্দল প্রার্থীদেরও বের করে দেওয়া হয় গণনা কেন্দ্র থেকে। এর পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সংঘর্ষ বাধে দুই পক্ষের মধ্যেই। সাময়িকভাবে ভোট গণনা বন্ধও করে দেওয়া হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ওপরেও হামলা চলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যুব তৃণমূলের বিক্ষুব্ধরাই নির্দল হিসেবে লড়েছে এখানে। পরে বিডিওর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ফের ভোট গণনা শুরু হয়েছে কেন্দ্রে। এদিকে তারকেশ্বরের একটি পঞ্চায়েতে মাত্র ৪ ভোটে জয়ী হয়েছে সিপিএম। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই উত্তেজনা শুরু হয় গণনাকেন্দ্রে। তৃণমূল প্রার্থীকেও জয়ী ঘোষণা করার জন্য চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। আবার,নদিয়ার মাজদিয়া কলেজের গণনা কেন্দ্রে পুলিশের সামনেই ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগ। গণনায় দেখা যায় কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাস গ্রামপঞ্চায়েতে সিপিএম এগিয়ে রয়েছে। খবর চাউর হতেই, গণনা কেন্দ্রে ঢুকে পুলিশের সামনেই ব্যালট নিয়ে ছাপ্পা মারতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। আপাতত গণনা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।