অন্য চিন্তা পুরীর

0
538

ভুবনবিখ্যাত রথযাত্রার আগে অন্য চিন্তায় পুরীর নগর কর্তৃপক্ষ। লাখো লাখো পূণ্যার্থীর ভিড়ে তাদের পেলে যাওয়া বর্জ্য কীভাবে সরানো যায়, তা নিয়েই চিন্তায় তারা। কম করেও ১২ লাখ মানুষ আসবেন পুরীতে।
পুরীর পুরসভা জানাচ্ছে দৈনিক ৫০ টন কঠিন বর্জ্য জমা হয় শহরে। কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের হিসেবে তা অবশ্য ৬৩ মেট্রিক টনের বেশি। আবার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির হিসেবে দিন ৯৮ টন বর্জ্য জমা হয় সৈকত শহরে। রোজ পুরীতে বাইরে থেকে আসেন ৫০ হাজার মানুষ। তাতে অতিরিক্ত ১৫ টন ময়লা জমা হয়। সবমিলিয়ে জমা জ্ঞ্জালের পরিমাণ ৭৮ টনের কম নয়।
আর রথযাত্রার মতো বিশেষ দিনে জমা জঞ্জালের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৬০ মেট্রিক টন। এই জঞ্জালের মধ্যে রয়েছে শুকনো পাতা, তুলোর কম্বল, দড়ি, কাঠ। এগুলোই ৩০ শতাংশ। ৫ থেকে ৫ শতাংশ ডাবের খোলা।
ওটিভি জানাচ্ছে, এই অবস্থার মোকাবিলায় পুর কর্তৃপক্ষ আদৌ তৈরি নয়। রোজ বর্জ্য জমা ও পরিষ্কারের মধ্যে ফারাক রয়ে যাচ্ছে ৫ টনের মতো। কিন্তু স্বচ্ছ শহর প্রকল্পের জন্য জমা দেওয়া নথি বলছে, এই ফারাকটা দিনে ২৮ টনের কম নয়। রথযাত্রার আগে পুরীতে বসানো হয়েছে ৭০টি ময়লা ফেলার পাত্র। নিযোগ করা হয়েছে ৫০০ পুরকর্মীকে। অত্যন্ত কম শৌচাগারের সংখ্যা। পুরীতে এখন ১০৪টি সামূহিক শৌচাগার রয়েছে। ১২টির মতো সাধারণ শৌচাগার।
কেন্দ্র ৩০ কোটি টাকা দিয়েছিল শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহের জন্য। তা যে হয়নি, যে কেউ পুরীতে এলেই বুঝতে পারবেন।