এপ্রিলেই হতে পারে পুরভোট, বিজ্ঞপ্তি জারি ১৭ জানুয়ারি

0
1307

এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহেই কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য বকেয়া থাকা পুরসভায় ভোট হতে পারে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার সংরক্ষিত আসনের খসরা তালিকা তৈরি করে বিজ্ঞপ্তি জারি করার প্রস্তুতি শুরু করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা প্রশাসন। সূত্রের খবর, চলতি মাসের ১৭ তারিখ ওই বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। জানা যাচ্ছে, কলকাতা পুরসভার ১৪৪ আসনের মধ্যে সংরক্ষণের আওতায় পড়েছে ৫৬ আসন। এরমধ্যে বেশ কয়েকজন ডাকসাইটে মেয়র পারিষদের আসন রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর ২২ দিন পর্যন্ত সময় পাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এই সময়ের মধ্যে তাঁদের যদি কোনও আপত্তি থাকে তবে সেটা জানাতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলি। এরপরই পুরো তালিকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। এখনও পর্যন্ত ঠিক হয়েছে ১২-১৫ এপ্রিলের মধ্যে হতে পারে পুরভোট।
২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই রাজ্যের ৯২টি পুরসভার মেয়াদ শেষ হবে। এরমধ্যে কলকাতা, চন্দননগর ও শিলিগুড়ি পুরনিগম রয়েছে। দার্জিলিংয়ে ১টি, কোচবিহারে ৪টি, জলপাইগুড়িতে ২টি, উত্তর দিনাজপুরে ২টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১টি, মালদায় ২টি, মুর্শিদাবাদে ৬টি, নদিয়া জেলায় ৯টি (এরমধ্যে ১টি নোটিফায়েড এরিয়া রয়েছে), দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৫টি, হাওড়ায় ১টি, হুগলিতে ১২টি পুরসভা ও ১টি পুরনিগম, পূর্ব মেদিনীপুরে ৩টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৬টি, পুরুলিয়া জেলায় ৩টি, বাঁকুড়ায় ৩টি, পূর্ব বর্ধমানে ৪টি, বীরভূমে ৪টি পুরসভায় বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে অথবা এপ্রিল-মে মাসে শেষ হবে। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগণায় মোট ২৩টি পুরসভাতে ভোট হবে। তবে রাজ্য প্রশাসন ব্যারাকপুর মহকুমার ব্যারাকপুর, কাঁচড়াপাড়া, হালিশহর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, গাড়ুলিয়া ও উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভাকে একত্রিত করে পুরনিগম তৈরি করার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে ইতিমধ্যেই। বিরোধীদের দাবি, এরমধ্যে ১০-১২টি পুরসভায় দুবছরের বেশি সময় প্রশাসক বসিয়ে নির্বাচন ঠেকিয়ে রেখেছে তৃণমূল সরকার। তবে এপ্রিল মাসেই ভোট হচ্ছে ধরে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে শাসকদল। গত সপ্তাহেই তাঁদের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর কলকাতা পুরসভার দলীয় মেয়র পারিষদ ও কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি টিকিট বিলি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। অপরদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা মুকুল রায় জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে তৈরি পুরভোটে লড়তে। কিন্তু রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুকুল রায়। বাম ও কংগ্রেস নেতাদেরও একই অভিযোগ।