তৃণমূল ‘সততার প্রতীক’ থেকে সরেছে, এটা ভালো দিক, কটাক্ষ মুকুলের

0
560

পুরভোটের দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। ভোট ইভিএম-এ হবে নাকি ব্যালটে সেটাও ঠিক হয়নি। কিন্তু তার মধ্যেই ভোট প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপির পক্ষ থেকে সাংগঠনিকভাবে নির্বাচন পরিচালনার নেতৃত্বে রয়েছেন মুকুল রায়। পুরভোট নিয়ে জেলায় জেলায় দলের কার্যকর্তাদের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিচ্ছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বৃহস্পতিবারই কৃষ্ণনগরে দলের নদিয়া জেলার কার্যকর্তাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছিলেন মুকুল রায়। শুক্রবার প্রশিক্ষণ শিবির হল উত্তর ২৪ পরগণার বারাসতে। মুকুল রায় ছাড়াও এদিনের প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী, উত্তর ২৪ পরগনার তিনটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও মন্ডল সভাপতিরা।

এদিন পুরভোটের দিনক্ষণ স্থির করা নিয়ে রাজ্যের টালবাহানার সমালোচনা করলেন। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগের তিরে রাজ্যের পুলিসরাজ। কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচিকেও। মুকুল রায়ের কথায়, ‘রাজ্যে পুলিশ রাজ চলছে। এরাজ্যে আইন আছে শুধুমাত্র বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের জন্য। শাসক দলের জন্য কোন আইনের বালাই নেই’। পুরভোটের দিনক্ষণ নিয়ে তাঁর বক্তব্য, ‘ভোট কবে হবে তা আমাদের জানা নেই। তবে যখনই ভোট হোক না কেন আমরা প্রস্তুত’। নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘গত পঞ্চায়েত নির্বাচন সবাই দেখেছেন, সেখানে নির্বাচন স্বচ্ছ ও অবাধ হয়নি। এমনকি বিরোধীরা সব জায়গায় প্রার্থীই দিতে পারেনি। ফলে এবারের পুরভোটে কতটা অবাধ ভোট হবে সেটা সময়ই বলবে’। তবে এরপরই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়েই শাসকদলের নতুন প্রচার কর্মসূচি ‘বাংলার গর্ব মমতা’ নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন। তাঁর কথায়, ‘ভালো হয়েছে বাংলার গর্ব মমতার আগে সমস্ত জায়গায় পোস্টারে লেখা থাকতো সততার প্রতীক মমতা। সেটা এখন সরিয়ে দিয়েছে অর্থাৎ সততার প্রতীক থেকে তৃণমূল সরে গেছে, এটা ভালো দিক’। মালদার গণবিবাহের প্রসঙ্গেও মুকুল রায় খোঁচা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রীকে। তিনি এদিন বলেন, অন্য কোনও রাজনৈতিক সংগঠন বা শাখা সংগঠন কিছু করলেই সেটা ধর্মান্তরিতকরন করা আর ওনারা করলে সেটা ঠিক কাজ।