মুকুলের দাবি ১০৭ বিধায়ক পা বাড়িয়ে, তোপ বিলগ্নিকরণ নিয়েও

0
1054

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কাউন্সিলর ও পঞ্চায়েত সদস্যদের ঘর বাপসি নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, রাজনীতিতে রণনীতি ও রণকৌশল আলাদা আলাদা হয়, ফলে কে এল আর কে গেল সেটার পিছনে কারণ খুঁজে লাভ নেই। লোকসভার আগে তাঁরা কেই বিজেপিতে ছিলনা, তবুও আমরা ভালো ফল করেছি বলেই জানালেন মুকুল রায়। এরপরই বোমা ফাটালেন প্রাক্তণ এই তৃণমূল নেতা, একটি তালিকা দেখিয়ে এদিন তিনি দাবি করলেন ১০৭ জন বিধায়ক বিজেপি আসার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। এদের মধ্যে তৃণমূলের বিধায়কই বেশি বলে জানিয়েছেন তিনি। সময়মতই তাঁরা দল ছাড়বেন এবং পদ্ম শিবিরে যোগ দেবেন বলে জানিয়ে দিলেন মুকুল রায়।

অন্যদিকে গান্ধিমূর্তির পাদদেশে পোস্টার হাতে বিক্ষোভ দেখানো ঘাসফুল শিবিরের সাংসদদের পালটা দিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বেশ কয়েকবার সাংসদ ভবনে গান্ধিমূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি রাজ্যসভায় ওয়াক আউট পর্যন্ত করেন তাঁরা। কিন্তু সেসবই যে শুধুমাত্র লোক দেখানো, সেটা শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে প্রমাণ করে দিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। রাজ্যের তরফে বিলগ্নিকরণ করা ৪৬টি সরকারি সংস্থার নামের তালিকা তুলে ধরে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। তাঁর দাবি ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এই সরকারি সংস্থার বিলগ্নিকরণ করেছে রাজ্যের তৃমমূল সরকার। মুকুল রায়ের দাবি, প্রয়োজন পড়লে সরকার বিলগ্নিকরণ করতেই পারে। কিন্তু এই বিষয়ে দ্বিমুখী নীতি কেন নেবেন তৃণমূল নেত্রী সেই প্রশ্নও তুলে দিলেন মুকুল রায়। উল্লেখ্য সম্প্রতি বিলগ্নিকরণের পথে হেঁটে এরাজ্যে মেট্রো ডেয়ারি থেকে হাত তুলে নিচ্ছে তৃণমূল সরকার। ফলে মুকুল রায়ের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও নৈতিক অধিকার নেই কেন্দ্রের বিলগ্নিকরণ নীতি নিয়ে আন্দোলন করার।