ব্যাঙ্কের ২ লাখ কোটিরও বেশি ঋণ খরচের খাতায়

0
45

৭৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণ মকুব করে দিল স্টেটব্যাঙ্ক। সেই গ্রাহকদের প্রত্যেকের ১০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ ছিল। এই বিপুল পরিমাণ টাকা আর ফেরত পাওয়া যাবে না। ৩৩ জন গ্রাহকের কাছ থেকে ৩৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আর আদায় করা যাবে না বলে ঘোষণা করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক। গত মার্চ পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে পাওনা ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। তথ্য জানার অধিকারে এই তথ্য দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি থেকে ২ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা এইভাবে মকুব করা হয়েছে। ব্যাঙ্কগুলিতে ১০০ কোটির বেশি ঋণ নিয়ে ফেরত দেয়নি ৯৮০ গ্রাহক। তার এক-পঞ্চমাংশই স্টেট ব্যাঙ্কের। ৫০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণ নেওয়া লোকের সংখ্যা ৭১ জন। তার ৩৩টিই স্টেটব্যাঙ্কের। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক মার্চ পর্যন্ত ১০০ কোটির ঋণ নেওয়া ৯৪ জনের ঋণ মকুব করে দিয়েছে। তার পরিমাণ ২৭ হাজার ২৪ কোটি। গড়ে অ্যাকাউন্টপিছু ২৮৭ কোটি টাকা। সরকারি অন্য ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে সবথেকে উপরে আইডিবিআই। তাদের মকুব করা ঋণের পরিমাণ ২৬ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। কানাড়া ব্যাঙ্কের তামাদি করা অনাদায়ী ঋণ ২৭ হাজার ৩৮২ কোটির। ১০০ কোটির বেশি ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ৫৬টি, কর্পোরেশন ব্যাঙ্কের ৫০টি, ব্যাঙ্ক অফ বরোদার ৪৬টি এবং সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের ৪৫টি অ্যাকাউন্টের ঋণ তামাদি ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি ব্যাঙ্কের মধ্যে অ্যাক্সিসের ৪৩টি, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের ৩৭টি অ্যাকাউন্টের অনাদায়ী ঋণ মকুব করা হয়েছে। এগুলিকে অনুৎপাদক বলে ধরা হয়েছে।