পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরতেই বাড়ছে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা

0
2048

পরিযায়ী শ্রমিকরা ঘরে ফেরার পরেই লাফিয়ে বাড়ছে উত্তর দিনাজপুরের করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার নতুন করে আক্রান্ত আরও ১৩ জন। রবিবার একজনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। করোনা পজিটিভের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রথমদিকে উত্তর দিনাজপুর জেলা গ্রিন জোনে থাকলেও পরিযায়ী শ্রমিকরা জেলায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে করোনা পজিটিভের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। রায়গঞ্জ, ইটাহার, কালিয়াগঞ্জ, হেমতাবাদ, করনদিঘি, চাকুলিয়া, চোপড়া সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে একই ছবি ধরা পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ভিন রাজ্য থেকে এলেও সামান্য থার্মাল চেকিং ছাড়া আর কোনওরকম পরীক্ষা করা হচ্ছে না তাদের। পরিযায়ী শ্রমিকরা বলেন, পরিবারকে রক্ষা করার জন্য আমরা সব পরীক্ষা করাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাপমাত্রা মাপা ছাড়া কিছু করা হয়নি। নিজেদের উদ্যোগে স্কুলে আশ্রয় নিয়েছি। এমনকী কোনও খাবার দেওয়া হচ্ছে না প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কনটেনমেন্ট এলাকাগুলিতে খাবার পাচ্ছে না মানুষ।
অন্যদিকে, বাঁকুড়ায় আরও দুই করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির খোঁজ মিলল। জানা গেছে করোনা আক্রান্ত ওই দুই ব্যাক্তির বাড়ি বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লক এলাকায়। আক্রান্তদের একজনের বয়স ২৮ অন্যজনের বয়স ৬৫ বছর। শনিবার এই দুজনের লালারসের নমুনা পজিটিভ বলে জানা গেছে। স্থানীয়ভাবে জানা গিয়েছে, দুজনই কিছুদিন আগে বাইরে থেকে বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের দুটি আলাদা জায়গায় নিজেদের বাড়িতে ফিরেছিলেন।
করোনায় আক্রান্ত শিলিগুড়ির এক যুবকও। এনিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫। গত ১৫ই মে ট্রেনে ওই যুবক দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি ফিরেছিলেন। শনিবার দিল্লি থেকে দার্জিলিং জেলা স্বাস্থ্যদফতরের কাছে ইমেল মারফত খবর আসে দিল্লি ফেরত যুবক করোনা আক্রান্ত। স্বাস্থ্যদফতরের কর্মীরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে যান আদর্শনগরে। কোনওভাবে যুবক খবর পেয়েই মহানন্দা নদী পেরিয়ে গা ঢাকা দেন ধর্মনগরের শ্বশুরবাড়িতে। সেখান থেকেই করোনা আক্রান্তকে নিয়ে যাওয়া হয় কোভিড হাসপাতালে। সেই সঙ্গে যুবকের সংস্পর্শে আসা শ্বশুরবাড়ির ৮ জনকে ও বাড়ীর ৪ সদস্যকে পাঠান হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে।