রোবোটের নাম সোফিয়া

0
50

আজকাল অনায়াসে জটিল সব কাজ করে ফেলছে রোবোটরা। তারা পিছন দিকে পাক খাচ্ছে, কঠিন পথে স্বচ্ছন্দে হেঁটে যাচ্ছে। মূর্তি বানাচ্ছে।
এখন এসেছে সোফিয়া। তার আবেদন শুধু বড় বড় নাটকীয় কাজকর্মে নয়, মানুষের সঙ্গে অদ্ভূত সাযুজ্য রেখে তার চেহারা। সোফিয়া আবেগও প্রকাশ করতে পারছে। হ্যানসন রোবোটিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ডেভড হানসন জানাচ্ছেন, এখনও সব কাজ শেষ হয়নি। কিন্তু সোফিয়া এখনই মানুষের মুখের মতোই আবেগের অনেক অভিব্যক্তি করতে পারে।
একটা নয়, অনেকগুলো ছোট ছোট সোফিয়া তৈরি করে ফেলেছে হ্যানসন। হংকংয়ে তাদের গবেষণা শাখায় এখন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সোফিয়া ২০, ২১ আর ২২-এর নানা টুকরো। সোফিয়া মুখের প্রতিটি মাংসপেশীর নাড়াচাড়া করতে পারছে। আনন্দ, দুঃখ, কৌতূহল, চিন্তা, হতাশা সব ধরণেরই প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে তার মুখমণ্ডলে। এমন ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে মানুষের মুখের অভিব্যক্তি দেখে সে কী ভাবছে বুঝে সোফিয়া তার নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
অভিব্যক্তির নানা প্রকাশ আগে থেকেই প্রোগ্রাম করা। সোফিয়ার মুখ তৈরি হচ্ছে সর্বশেষ কারিগরিতে। তার মুখ তুলনায় অনেক নরম। অনেক বাস্তবসম্মত। মানুষের মুখের স্নায়ুতন্ত্র এবং দৈহিক অবস্থা ভালো করে পরীক্ষা করে নিচ্ছে হ্যানসনের ল্যাবরেটরি। প্রকৃত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ফসল হবে সোফিয়া, তাদের দাবি।
সোফিয়ার মুখ বানাতে নেফারতিতির পুরানো মূর্তি থেকে হলিউড অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মুখেরও সাহায্য নেওয়া হয়েছে।