সর্দি-জ্বরের প্রকোপ থেকে বাঁচুন

0
112

বছরের এই সময়েই জ্বর-সর্দি ঘরে ঘরে। সর্দি চট করে সারলেও কাশি কিন্তু সহজে ভালো হতে চায় না। ভোগায় বেশি জ্বর নেই, কফ বের হওয়া নেই, বুকে ঘড়ঘড় নেই, কিন্তু খুকখুক কাশি। কাশির সঙ্গে কখনও কফ বেরোয় না, কিন্তু একটা অস্বস্তি গলায়-বুকে লেগেই থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কিছুই পাওয়া যায় না। কেননা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই বারবার শুকনো কাশির কারণ ফুসফুসে সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা ইত্যাদি নয়, বরং অন্য কিছু। তবে কারণ যা হোক শীতে ঠান্ডা লাগলে এর তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সর্দি-কাশি বা সামান্য গলাব্যথা তেমন কোনো বড় ব্যাপার নয়। আর গলাব্যথা মানেই টনসিলের সমস্যা নয়। ভাইরাল জ্বর-সর্দি ভালো হয়ে গেলেও সাধারণত কাশি ভালো হতে চায় না। হাঁপানি, অ্যালার্জি বা সাইনোসাইটিস না থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। অনেক সময় এমনিতেই কাশি সেরে যায়। কাশি বাড়তে পারে অ্যালার্জিতেও। এ সময় অনেকেই সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হন। সর্দি তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে গেলেও কাশি কিন্তু সহজে ভালো হতে চায় না। সমস্যা হলো—জ্বর নেই, কফ বের হওয়া নেই, বুকে ঘড়ঘড় নেই, কিন্তু খুকখুক কাশি। বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক একটি ব্যাপার। কাশির সঙ্গে কখনো কফ বেরোয় না, কিন্তু একটা অস্বস্তি গলায়-বুকে লেগেই থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কিছুই পাওয়া যায় না। কেননা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই বারবার শুকনো কাশির কারণ ফুসফুসে সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা ইত্যাদি নয়, বরং অন্য কিছু। তবে কারণ যা হোক শীতে ঠান্ডা লাগলে এর তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে। অনেক সময় কাশতে কাশতে গলায়, বুকে ব্যথা হয়ে যায়। নাকের প্রদাহ ও সাইনুসাইটিস পোস্টনাজাল ড্রিপের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। ফলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি হতে পারে। নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া বা সর্দিঝরা থাকার আরেকটি কারণ হচ্ছে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। যদি খুসখুসে কাশির রোগী হলে বন্ধ করতে হবে ধূমপান। ওষুধ কোনো কাজেই আসবে না যদি ধূমপান না ছাড়েন। গ্যাসট্রিকের কারণেও অনেক সময় কাশি হয়। পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপর দিকে উঠে এলে কাশি উঠতে পারে। যাঁদের সব সময় সর্দি লেগে থাকে, তাঁদের নাকের পেছন দিকে ইরিটেশন হয় বলে কাশি হতে পারে। এ ছাড়া কিছু ওষুধ অনেক সময় কাশির জন্য দায়ী হতে পারে। হৃদ্রোগের কারণেও অনেক সময় কাশি হয়। কাশি ঠেকাতে হলে বড় একটি পাত্রে ফুটন্ত জল ঢেলে, তাতে মেনথল দিয়ে দিন। তারপর মুখ নিচু করে সেই ভাপ নিন কয়েক মিনিট। দিনে কয়েকবার এই ভাপ নিন।