এখনও ফেরার কর্ণের সাগরেদ মুন্না

0
67

কর্ণ ধরা পড়লেও দুঃশ্চিন্তা বাড়িয়েছে মুন্না। এখন পর্যন্ত ফেরার সে। শুক্রবার ফের কাঁথি আদালতে পেশ করা হয় কর্নকে। এদিন কাঁথি আদালত চত্বরে ছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তা। তাকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। আদালত থেকে পালানোর চেষ্টা ও কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে নতুন করে মামলা দায়ের হয়েছে। এখনও ফেরার কর্ণের আরেক সঙ্গী শেখ মুন্না ও সুরজিত নামের দুই দাগী অপরাধী। কর্ণকে জেরা তাদের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। শুক্রবার আদালতে সরকারি আইনজীবী বলেন, “বাকিরা কোথায় আছে জানতে জেরা করা দরকার কর্ণকে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতি দিনভর চলে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া। আদলত চত্বর থেকে পালিয়ে গেলও ফের পুলিশের হাতেই ধরা পড়ে কর্ণ। আবার রাতে দেখা দেয় নতুন উপদ্রব। আসামীকে না ছাড়া হলে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে কাঁথি থানা। ফোন করে রীতিমতো হুমকি দেওয়া হয়। আর কর্ণের যা অতীত রেকর্ড, তাই হুমকিকে মোটেও হালকা ভাবে দেখছে না পুলিশ। অন্যদিকে কর্ণ ধরা পড়লেও দুঃশ্চিন্তা বাড়িয়েছে মুন্না। কারণ একই সঙ্গে দু’জনকে নিয়ে আসা হয় আদালতে। শেষমেষ কর্ণ ধরা পড়লেও, অধরা থেকে যায় মুন্না। পুলিশ জানিয়েছে দুজনেই দাগী দুষ্কৃতী। দুজনের বিরুদ্ধেই ধর্ষণ, খুন সহ একাধিক ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। আরও জানা গেছে, এতটাই বেপরোয়া কর্ণের গ্যাঙ, যে চিঠি দিয়ে আগাম জানিয়ে ডাকাতি করত তারা। পূর্ব মেদিনীপুরের এক পুলিশ আধিকারিকের দাবি, মুন্নাও আগে দু’বার পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়েছিল। অভিযুক্তরা কাঁথি শহরের মধ্যেই কোথাও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। দ্রুত পাকড়াও না করতে পারলে বিপদ। কেউ বাধা দিলে তাকেও খুনও করতে পারে। এতটাই মরিয়া ওরা। বৃহস্পতিবার রাতেই স্থানীয়দের সতর্ক থাকার জন্য প্রশাসনের পক্ষ মাইকে প্রচারেরও ব্যবস্থা করা হয়। সবমিলিয়ে, মুন্নাকে পাকড়াও করতে না পারা পর্যন্ত স্বস্তিতে নেই পুলিশও।