ফের স্কুলে ছাত্রীর যৌন নিগ্রহের অভিযোগ, ধৃত ১

0
50

কারমেল স্কুলের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠল এক অশিক্ষক কর্মীর বিরুদ্ধে। এবার কাঠগড়ায় দক্ষিণ কলকাতার কমলা বালিকা বিদ্যালয়। এর আগে একই অভিযোগ উঠেছিল জিডি বিড়লা, এমপি বিড়লা স্কুলেও। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কলঙ্কিত শিক্ষাঙ্গন। এবার দক্ষিণ কলকাতার কমলা বালিকা বিদ্যালয়ের অশিক্ষক কর্মী মলয়কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। গত দুসপ্তাহ ধরে স্কুলেই চলছে ছাত্রীদের স্পোর্টস অনুশীলন। এই পর্বেই প্রশিক্ষণ থেকে বাদ দেওয়া হয় আনফিট ছাত্রীদের। তার মধ্যে ছিলেন নির্যাতিতা ছাত্রীও। এরপরেই নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী ক্লাসরুমে বসেছিল। অভিযোগ, সেইসময়ই ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে যৌন হেনস্থা করেন অশিক্ষককর্মী মলয়কুমার বড়ুয়া। নির্যাতনের কথা পরিবারে জানায় ওই ছাত্রী। স্কুলকে জানানোর পর রবীন্দ্র সরোবর থানায় অভিযোগ দায়ের হয় ওই অশিক্ষক কর্মীর বিরুদ্ধে। শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। স্কুলের বিরুদ্ধে সাংঘাতিক অভিযোগ থাকলেও, টিচার ইনচার্জ জানান তাঁকে যেন বিরক্ত করা না হয়।
শনিবার সকাল থেকেই স্কুলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নিয়ে প্রতিবাদে সরব হন অভিভাবকরা। তুলে ধরা হয় তিনটি দাবি।
স্কুলে বসাতে হবে পর্যাপ্ত সিসিটিভি, গার্লস স্কুলে পুরুষ শিক্ষক বা অশিক্ষক কর্মচারী রাখা যাবে না এবং পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে সন্তানদের নিরাপত্তার দাবিতে অভিভাকরা সোচ্চার হওয়ার পরে স্কুলের বিরুদ্ধে উঠে আসছে আরও অভিযোগ। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে স্কুলের পক্ষ থেকে।ধৃত অশিক্ষক কর্মীর বিরুদ্ধে আগেও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের ততপরতায় তখন আলোচনা করেই মীমাংসা হয়। প্রশ্ন উঠছে, এর আগেও যখন হেনস্থার অভিযোগ রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে। তবে কেন আগে সচেতন হল না স্কুল কর্তৃপক্ষ?শনিবার ধৃত মলয়কুমার বড়ুয়াকে আলিপুর আদালতে তোলা হলে তাকে তিনদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।