দেশের বিজ্ঞানীর নাম প্লুটোয়

0
218

তাঁকে চেনেন খুব কম লোকই। নিজের বৃত্তের বাইরে একেবারেই অপরিচিত তিনি। তবু জেনে রাখা ভালো। তাঁর নামে প্লুটো গ্রহের একটি গহ্বরের নাম রাখা হয়েছে। তিনি বিষুণ খারে।
প্লুটো আমাদের ব্রহ্মাণ্ডের সবথেকে দূরের গ্রহ। তাকে নিয়ে অনেক দিন ধরেই কাজ করে চলেছেন অনেক বিজ্ঞানী, জ্যোতির্বিদ। খারে তাঁদেরই একজন। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিকাল ইউনিয়ন খারের নামে প্লুটোর একটি ক্রেটার বা গহ্বরের নাম রেখেছে খারে ক্রেটার। এই সংস্থাই বিভিন্ন গ্রহের অঞ্চল, পাহাড়, সমতল, উপত্যকা কিংবা গহ্বরের নাম রাখে দেশবিদেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের নামে। এর আগে প্লুটোর সবথেকে বড় চাঁদের নাম রাখা হয়েছে চারন।
তারা জানিয়েছে, যাঁদের নামে নামকরণ হয়েছে তাঁরা দিকপাল। খারে গ্রহের আবহাওয়ার রসায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। বিশেষকরে, প্লুটোর সবথেকে অন্ধকার ও সবথেকে লাল অংশ নিয়ে লিখেছেন বহু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র। বের করেছেন অন্ধকারের কারণ।
জন্ম এবং পড়াশোনর শুরু বারাণসীতে। তারপর সেখান থেকে বিদেশের বিভিন্ন নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ভুবনবিখ্যাত বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের সঙ্গে বের করেছেন প্রায় ১০০টি গবেষণাপত্র। ২০১৩ সালে ৮০ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি।