কীভাবে বেঁচে ছিল তাই খুদে ফুটবলাররা

0
60

বুনো শূওর ফুটবল টিমের একজন পীরাপাত সম্পিয়াংজাইয়ে জন্মদিন ছিল ২৩ জুন। সেদিন তার বয়স হয়েছিল ১৭ বছর। সারপ্রাইজ পার্টি করতে গুহার ভেতরে ঢুকেছিল ১২ তাই খুদে ফুটবলার আর তাদের কোচ। প্রবল বৃষ্টির জন্য গুহার ভেতরে জল ঢুকতে শুরু করলে তারা পালাতে পালাতে গুহার অনেক ভিতরে চলে যায়। তার জন্মদিন উপলক্ষে দলের অন্য ছেলেরা খাবার নিয়ে গিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, গুহার ভেতরে আটকা পড়ার পর এসব স্ন্যাক্স খেয়েই বাচ্চারা বেঁচে ছিল। বাচ্চাদের জন্যে প্রয়োজনীয় খাবার কম পড়ে যাবে বলে সেই খাবার খেতে রাজি হননি ফুটবলারদের কোচ একাপ্পোল চানতাওং। তাই ২ জুলাই ডুবুরিরা যখন ফুটবল দলটিকে গুহার ভেতরে খুঁজে পান, তখন শারীরিকভাবে সবচেয়ে দুর্বল ছিলেন কোচ এক্কাপোল। খোঁজ পাওয়ার পর তাদের বাইরে থেকে খাবার দেওয়া শুরু হয়। সহজপাচ্য, শক্তিদায়ক খাদ্য যাতে মিনারেল ও ভিটামিন মেশানো হয়েছে, জানিয়েছেন উদ্ধারকারী দল থাই নেভি সিলের প্রধান এডমিরাল আরপাকর্ন ইওকোংকাওয়ে। গুহার দেয়াল থেকে যে জল চুইয়ে পড়েছে সেই জলই খেয়েছে বাচ্চারা। কারণ গুহা ভেসে যাওয়ায় বৃষ্টির জল ছিল ঘোলা ও নোংরা। কিশোরদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে তাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শক থংচাই লের্তওলিরাতানাপং বলেছেন, তারা ভালো আছে। মানসিকভাবেও তারা সুস্থ। তবে বেশিরভাগ শিশুরই গড়ে দুই কেজি করে ওজন কমেছে। নিজেদের উষ্ণ রাখতে তারা গুহার ভেতরে পাঁচ মিটার গভীর গর্ত খুঁড়েছিল। পাথর দিয়ে সুড়ঙ্গটা তৈরি করেছিল তারা। নিজেদের উষ্ণ রাখতে তারা সুড়ঙ্গের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছিল।