শৈলশহরে নয়া সমীকরণ

0
398

পাহাড়ের রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ। লোকসভা ভোটে জোট করলেন জিএনএলএফ ও বিমলপন্থী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। নির্বাচন ঘোষণার আগেই জিজেএম জানায়, তারা পাহাড়ে তৃণমূল প্রার্থীকেই সমর্থন করবে। সেই মতো দার্জিলিং-এ অমর সিং রাই-কে প্রার্থী করেন তৃণমূল নেত্রী। এরপরেই এই নয়া সমীকরণ সামনে আসে। আগেই বিনয় তামাঙের নেতৃত্ব জনমুক্তি মোর্চাকে চ্যালেঞ্জ জানান বিমল গুরুং। নিজেকেই মোর্চা সুপ্রিমো বলে ঘোষণাও করেন। এই পরিস্থিতিতে রবিবার গুরুংপন্থী মোর্চা নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেন জিএনএলএফ নেতা মান ঘিসিং। মধ্যরাতে রোশন গিরির পক্ষ থেকে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়। পাহাড়ে ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে লোকসভা নির্বাচনকে হাতিয়ার করলেন বিমল গুরুং। নজিরবিহীন জোট গড়তে একসময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী জিএনএলএফকে পাশে চেয়েছিলেন বিমল গুরুং। সেইমত মঙ্গলবার দুপুরে দিল্লিতে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করে দুই দল আনুষ্ঠানিকভাবে জোট বাঁধার কথা ঘোষণা করে। জিএনএলএফ মুখপাত্র নীরজ জিম্বা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এই জোটের সমর্থন বিজেপির দিকে। তাঁদের মূল লক্ষ্য, তৃণমূলকে পরাজিত করা। তবে, এই জোটকে আমল দিতে রাজি নয় তৃণমূল। তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী গৌতম দেবের মতে, তৃণমূল পাহাড়ে একাই একশো। এমনকী, হরকা বাহাদুরের জাপের সঙ্গেও আলোচনা হয়নি বলে জানান তিনি। সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যের মতে, এই জোট নীতিহীন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, বিমল গুরুং পন্থীরা পাহাড়ে ক্ষমতা দখলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও, জিএনএলএফ কী করে ওই জোটে যোগ দিচ্ছে? কারণ, এই জিএনএলএফের নেতা সুবাস ঘিসিংকে পাহাড়ে ঢুকতে দেননি বিমল গুরুংরা। সেই কারণে এই দিক থেকে দেখতে গেলে এই জোট নজিরবিহীন।