চমকে দিচ্ছে লুনা

0
40

খুব তাড়াতাড়ি শিখে নিচ্ছে লুনা পেপার। প্রতিদিনই তার মধ্যে পুরে দেওয়া হচ্ছে নতুন নতুন সব তথ্য। মানুষের সঙ্গে যাতে সে আরও ভালোভাবে কথা বলতে পারে সেজন্যই তৈরি করা হচ্ছে তাকে। জার্মানির ব্রেনমেনের স্পারকাসে ব্যাঙ্ক লুনার ঠিকানা। সেখানে গ্রাহকদের সে অভ্যর্থনা জানায়। আবহাওয়া নিয়ে কথা বলে। কখনও কখনও রসিকতাও করে। বলে, রেগে যাবেন না। আমি সবকিছু এখনও শিখে উঠিনি। ১২০ সেন্টিমিটারের লুনা চকচকে চোখ নিয়ে তাকায় গ্রাহকদের দিকে। বিনম্রভাবে বলে, আপনি খুশি হলেই আমি খুশি।

তাঁদের এই নতুন কর্মীকে নিয়ে গর্বিত ব্রেনমেন ব্রাঞ্চের ম্যানেজার আলেক্সান্ডার লোডে। তিনি বলেন, এই রোবোট কথা আর কাজ দিয়ে আমাদের সাহায্য করে। তার মুখোমুখি হওয়া রীতিমতো রোমাঞ্চকর। সাধারণত জার্মানিতে রোবোটদের নিয়মিত গ্রাহকদের সাহায্য করার কাজে লাগানো হয় না। এগুলিকে হয় গবেষণার কাজে, নয়তো বাণিজ্যমেলায় দেখা যায়। তবে ধীরে ধীরে এই মানবাকৃতির রোবোটগুলিকে রোজকার কাজে ব্যবহার করা শুরু হচ্ছে। নির্দিষ্ট জিনিস নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে সেগুলো ভালোই জবাব দিচ্ছে। প্রোগ্রামিং ছাড়া লুনার খরচ ২০ হাজার ইউরো।

আগামি পাঁচবছরে আরও রোবোট আসতে চলেছে বাজারে। গতবছর মিউনিখ বিমানবন্দরে এমনই কিছু মেয়ে রোবোটকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল বিমানযাত্রীদের। তার নাম জোসি। তিনমাস সেখানেই রাখা হয়েছিল জোসিকে। তবে রোবোটের সঙ্গে কথা বলতে চাননি অনেকেই। শুধু ছবি তুলেছেন। এখনও জোসি মিউনিখ বিমানবন্দরে যাত্রীদের প্রশ্নের জবাব দিয়ে চলেছে।
লুনাকে এখন শেখানো হচ্ছে ইংরেজি, রাশিয়ান ও টার্কিস ভাষা। শিখে নিলে লুনা বিদেশি ভাষা অনুবাদ করে দিতে পারবে।