সপ্তম দফাতেও ইভিএম বিভ্রাট

0
87

লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফাতেও ইভিএম বিভ্রাটের অবসান হল না। সকাল থেকেই নাজেহাল ভোটাররা। প্রথম দফা থেকে শুরু করে শেষ দফা পর্যন্ত কমিশনকে ইভিএম যন্ত্রণা ভোগ করতে হল। শেষদফা ভোটে অধিকাংশ বুথেই ফের ইভিএম বিভ্রাট। কেন এত ইভিএম খারাপ। সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারদের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করা হল। দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে এই রিপোর্ট। রবিবার শেষ দফা ভোটে শহর কলকাতায় তাপমাত্রার পারদ প্রায় ৩৭ ডিগ্রি। সঙ্গে তাল মিলিয়ে অস্বস্তি। আর এই গরমে ভোটের লাইনে সকাল থেকে দাঁড়িয়ে থেকে শুধুমাত্র ইভিএম বিভ্রাটের জন্য নাকাল হন ভোটাররা। প্রশ্ন উঠছে কুইক রেসপন্স টিমের তৎপরতা নিয়েও। অন্ধকারে বুথের ভোটকর্মীরাও। ভোটের শেষদিনের ভোটগ্রহণেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় ইভিএম মেশিন বিকল হওয়ার খবর পাওয়া গেল। সকাল থেকেই বসিরহাট, বিষ্ণুপুর, ডায়মন্ড হারবার থেকে ইভিএম খারাপ হয়ে যাওয়ার খবর আসতে শুরু করে। সোনারপুরের একটি কেন্দ্রে সকাল থেকে আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় কেটে যাওয়ার পর শুরু হয় ভোট গ্রহণ। গোসাবা, দমদম, হাড়োয়া, রবীন্দ্রপল্লি সহ একাধিক জায়গায় ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু হওয়ার সময় থেকেই ইভিএম বিভ্রাটের খবর আসতে থাকে। ইভিএম নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি প্রার্থী চন্দ্র বসুও।
২০১৯ লোকসভা ভোট গ্রহণের শুরুর সময় থেকেই ইভিএম বিকল ঘিরে দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে ক্ষোভ উঠে আসে। মাঝের এতগুলি দফার পর সপ্তম ও শেষ দফাতেও সেই বিভ্রান্তি কাটিয়ে উঠতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। গরমের মধ্যে ভোটের লাইনে সকাল থেকে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের মধ্যেও ইভিএম ক্ষোভ জমাট বেঁধেছে। প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন অনেকে। প্রশ্ন উঠছে, কমিশনের কাছে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য বাড়তি ২০ শতাংশ ইভিএম মেশিন থাকবার কথা। তাহলে সেই বাড়তি ২০ শতাংশ দিয়ে পরিস্থিতি কেন সামাল দিতে পারল না কমিশন। প্রতিটি দফাতেই উঠেছে ইভিএম বিভ্রাটের খবর। প্রশ্ন উঠছে সাত দফার প্রতিটি দফার মাঝেই যথেষ্ট সময় পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। তখনই কি তারা এবিষয়ে আরও কঠোর মনোভাব দেখাতে পারতেন না? উঠছে এই প্রশ্নও।