দশমীতেই আগমনীর সুর

0
31

দশমীতেই আগমনীর সুর বাজে এখানে। উমার কৈলাশে বিদায়ের পরই এখানে বোধন হয় মা বালাইচণ্ডীর। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ শহর থেকে অনতিদূরেই খাদিমপুর গ্রাম। রায়গঞ্জ থানার ১৪ নম্বর কমলাবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের অন্তর্গত এই গ্রামে দশমীতেই শুরু হয় উৎসবের। দশমীতেই শুরু এখানকার দূর্গাপুজা।
পুজোর আনন্দে মেতে ওঠেন খাদিমপুর গ্রামের আট থেকে আশি সকলেই। পুজোর চারদিন বসে মেলাও। এখানে দেবী দুর্গাকে ‘বালাইচণ্ডী’ রূপে পুজো করা হয়ে থাকে। এখানে দেবী দশভূজার বদলে চতুর্ভুজা। চার হাতেই দেবীর অস্ত্র থাকলেও এখানে দেবীর পদতলে নেই মহিষাসুর।
তবে এখানে দেবীর সঙ্গেই থাকেন কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী ও সরস্বতী। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই পুজো ৫০০ বছরের বেশি আগে থেকে এই খাদিমপুর গ্রামে হয়ে আসছে। পুরানো রীতি মেনে আজও খাদিমপুরের এই দুর্গাপুজোয় হয় বলি। দশমীর রাতে শুরু হওয়া পুজো চলবে তিনদিন।
পুজোর পাশাপাশি পুজোকে ঘিরে বসে মেলা। আর এই বালাইচন্ডীরূপী দূর্গাপুজোই খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে আসল পুজো। শারদীয়া উৎসব যেখানে শেষ হয়ে বিষাদের সুর বেজে উঠেছে, তখনই রায়গঞ্জ শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে খাদিমপুর গ্রাম আগমনীর সুরে আনন্দে মেতে উঠেছে।