প্রাণ হাতে যাতায়াত ভাঙা কাঠের ব্রিজে

0
147

একটি কাঠের ভাঙাচোরা ব্রিজ, নিরুপায় হয়ে তার ওপর দিয়েই যাতায়াত করছেন দুটি গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ। ফলে দিন দিন বাড়ছে ক্ষোভ। এই গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটির একদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার-১ ব্লকের পারুল গ্রাম পঞ্চায়েত। এবং অন্যদিকে ডায়মন্ড হারবার-২ ব্লকের মাথুর গ্রাম পঞ্চায়েত। হুগলি নদীর খোলাখালি শ্রুতি খালের ওপর এই কাঠের ছোট ব্রিজটি বেশ পুরোনো। সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ অবস্থায় বর্তমানে বেহাল দশা। তবুও প্রাণ হাতে করে এই খোলাখালি ব্রিজ দিয়েই যাতায়াত করেন দুপাড়ের ১৬টি গ্রামের মানুষ। কংক্রিটের ব্রিজের দাবি দীর্ঘদিনের, তবুও কেই কথা রাখেননি বলেই একযোগে অভিযাগ জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। দৈনন্দিন প্রয়োজনে বা সরকারি কাজে প্রায়শই যেতে হয় ডায়মন্ড হারবার বা রায়চকে। এই ব্রিজ এড়িয়ে সেখানে যেতে হলে ২৫ থেকে ৩০ কিমি বাড়তি পথ পারি দিতে হয় গ্রামবাসীদের। ফলে সময় ও অতিরিক্ত খরচ দুইই গুনতে হয় তাঁদের। শুধু কি তাই, কচিকাঁচাদের স্কুলে যাওয়া, অসুস্থদের হাসপাতালে পৌঁছানো বা অন্তসত্তা মহিলাদের মাতৃসদনে পাঠানো ভরসা এই ভাঙা কাঠের ব্রিজটি। এলাকাবাসীদের বক্তব্য, পরিবর্তনের সরকার এলাকায় রাস্তাঘাট, আলো বা পানীয় জলের উন্নতি করলেও এই কাঠের ব্রিজটির দিকে নজর দেয়নি। ফলে দুয়োরানীর মতই অবহেলিত হয়ে রয়েছে বড় খান্দালিয়া কাঠের পোল। নড়বড়ে কাঠামোর ওপর ভাঙাচোরা পাটাতন, তার ওপরেই যাতায়াত সাইকেল, মোটর সাইকেল সহ পারাপার বর্তামানে আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে গ্রামবাসীদের কাছে। কবে হবে সংস্কার? কবেই বা তৈরি হবে কংক্রিটের ব্রিজ? মুখে কুলুপ স্থানীয় তৃমমূল পঞ্চায়েত সদস্যদের।