এবার হাতির হানায় মৃত্যু খোদ বনকর্মীর

0
358

জঙ্গলমহলের একাধিক জেলায় হাতির দৌঁড়াত্ম দিন দিন বেড়েই চলেছে। রোজই কোনও না কোনও প্রান্ত থেকে হাতির হানায় গ্রামবাসীর মৃত্যুর খবর আসছে। এবার হাতির আক্রমণে মৃত্যু হল এক বন বিভাগের কর্মীরই। রবিবার সকালে ভাগ্যধর মান নামে ওই বনকর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছে বেলিয়াতোড় থানার শীর্ষা গ্রামের এক বাঁশবাগান থেকে। তবে হাতির হানায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোন কারণ, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ওই বনকর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। যদিও মৃত বনকর্মীর পরিবারের দাবি, শনিবার থেকেই নিখোঁজ ছিলেন ভাগ্যধর। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই দেখা গিয়েছে বাঁকুড়ার উত্তর বনবিভাগের বিষ্ণুপুর, সোনামুখী, বড়জোরা ও বেলিয়াতোড় জঙ্গলে হাতির একটি বড় দল ঢুকে পড়েছিল। পশ্চিম মেদিনীপুরের দিক থেকেই ঢুকেছিল হাতির দলটি। ফলে রাতের ঘুম উড়েছে ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের। হাতির ভয়ে কাজকর্ম সব শিকেয় উঠেছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।

তাঁদের আরও অভিযোগ, বন দফতর এই হাতির দলকে জঙ্গলে ফেরত পাঠানোর কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে হাতির আক্রমণে মৃত্যু হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসীদেরই। এই মুহূর্তে বড়জোরা রেঞ্জের সাহারজোড়া মৌজায় ১৮টি হাতি রয়েছে, দক্ষিণ সরাগাড়া মৌজায় ৮টি হাতি রয়েছে, বেলিয়াতোর রেঞ্জের চন্দনপুর মৌজায় ৩টি হাতি ও গঙ্গাজলঘাটি রেঞ্জে দেওয়ালী মৌজায় ১টি হাতি রয়েছে বলে বন দফতর জানিয়েছে। আধিকারিকদের দাবি, হাতি যাতে লোকালয়ে প্রবেশ করে ফসলের এবং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি যাতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি করতে না পারে তার জন্য এলাকার সাধারণ মানুষদের সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বনদপ্তর এর পক্ষ থেকে। এছাড়াও মাইকিং করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।