রাজ্যজুড়ে বজ্রাঘাতে মৃত ১১

0
1338

সোমবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শুরু হয়েছে বৃষ্টির দাপট। সেইসঙ্গে বজ্রপাতের ঘটনায় দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে শুধুমাত্র পুরুলিয়াতেই মৃত্যু হয়েছে দুই মহিলা সহ পাঁচ জনের।
দক্ষিণ ২৪ পরগণায় বাবা ও ছেলে সহ তিনজনের। বাকিরা হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা ব্লকের সুন্দরবন উপকূল থানার সাতজেলিয়া গ্রামে জমিতে চাষের কাজ করার সময় বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। এদের মধ্যে শ্রীবাস মৃধা (৫২) ও হরিপদ মৃধা (২৭) সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। অন্যজন সাতজেলিয়ার পরশমনি গ্রামের বাসিন্দা কপিল মণ্ডল (৪০)। তিনিও জমিতে কাজ করছিলেন।

এদিন বিকেলে পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার রাউতারা এবং রায়ডি গ্রামে পৃথক দুটি ঘটনায় বাজ পরে মৃতু হয় তিনজনের। একই সময় সাঁওতালডিহি থানার বাকিবস্তি এলাকা ও মফঃস্বল থানা এলাকায় বাজ পরে মৃতু হয়েছে দুইজনের। মৃতদের নাম নীলিমা মাহাতো (২৫) ও সুন্দরী কর্মকার (৫৫), নিমাই সিং (৩৫), মতিলাল মাহাত (৪০)। একজনের পরিচয় জানা যায়নি।

অন্যদিকে, ঝাড়গ্রামের লালগড় থানার ভাঙাডালি গ্রামের বাসিন্দা নিলিমা সবর নামে এক গৃহবধূর। তিনিও মাঠে ধান রোয়ার কাজ করছিলেন। একইভাবে হুগলির পান্ডুয়াতে বাজের আঘাতে গুরুতর জখম হন মহাদেব বাউল দাস। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। বাজ পরে মৃত্যুর শেষ ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের উদয়পুরে। সমুদ্র স্নানের সময় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে রাকেশ কোলে(২৭) নামে এক পর্যটকের, গুরুতর জখম তাঁর সঙ্গী সুমনকুমার বেরা (২৫)। দিঘা হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। দুজনেই হুগলি ডানকুনির রঘুনাথ কলোনির বাসিন্দা। একটি বহুজাতিক অনলাইন সংস্থার কর্মী রাকেশ, সুমনরা ৫ বন্ধুতে মিলে শনিবার বেড়াতে এসেছিলেন দিঘায়।