শক্তি বাড়িয়ে ‘বুলবুল’ সাগরদ্বীপে ঢুকবে শনিবার রাতেই, সতর্ক প্রশাসন

0
179

শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণীঝড়ে পরিনত হয়েছে বুলবুল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবার মধ্যরাত থেকে রবিবার সকালের মধ্যেই উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণীঝড় বুলবুল। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন ও বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঢুকে পড়বে ঝড়টি। ফলে আতঙ্কের প্রহর গুনছেন সুন্দরবনবাসী। এখনও তাঁদের মনে আয়লার স্মৃতি টাটকা। ২০০৯ সালের ২৫ মে আয়লার হানায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। হাওয়া অফিস জানিয়েছে উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় বুলবুলের গতি থাকবে ঘন্টায় ১০০-১২০ কিমি। রাজ্যের সাগরদ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া এলাকার মধ্যে স্থলভূমিতে ঢুকবে বুলবুল। দিল্লির মৌসম ভবন সুন্দরবনের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে। কারণ ঘূর্ণীঝড়টি সাগরদ্বীপে ঢোকার সময় গতিবেগ ১২৩ কিমি প্রতি ঘন্টা হতে পারে। বুলবুলের প্রভাবে শুক্রবার দুপুর থেকেই কলকাতা সহ উপকূলীয় জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। শনিবার দিনভর ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে চলবে ঝোড়ো হাওয়া। রাজ্য সরকারও বুলবুল মোকাবিলায় তৈরি হচ্ছে, খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। বিপর্যয় মোকাবিলায় নবান্নের টোল ফ্রি নম্বর হল ১০৭০ ও ০৩৩-২২১৪ ৩৫২৬। ইতিমধ্যেই সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায় মৎসজীবীদের যাওয়া নিষিদ্ধ। পর্যটকদেরও হোটেলবন্দী করেছে স্থানীয় প্রশাসন। হাওয়া অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা ১.০ থেকে ২.০ মিটার ও মেদিনীপুরের সমুদ্রের ঢেউ ০.৫ থেকে ১.০ মিটার পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন হওয়া ঘূর্ণীঝড়গুলি ওডিশা বা বাংলাদেশে চলে গিয়েছিল। ফলে অল্পের ওপর দিয়ে বেঁচে গিয়েছে বাংলা। কিন্তু আয়লার মতোই বুলবুল বাংলার উপকূলে আছড়ে পরার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সতর্ক রাজ্য প্রশাসন।