কংগ্রেস নেতার পুলিশ হেফাজত, অসহিষ্ণুতার অভিযোগ রাজ্যের বিরুদ্ধে

0
62

রাজ্য প্রশাসনের এক কর্তাকে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার দায়ে গ্রেপ্তার কংগ্রেস নেতা সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রদেশ কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার ঘটনা। রাতেই খড়দা থানায় যান সন্ময়ের স্ত্রী-পরিজনরা। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ সন্ময়বাবুর পরিবারকে খড়দা থানা থেকে তাঁদের পুরুলিয়ায় যোগাযোগ করতে বলা হয়। সেই মতো সন্ময়ের পরিচিত, পরিজনেরা রাতেই রওনা দেন পুরুলিয়ার উদ্দেশ্যে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রও যোগাযোগ করেন পুরুলিয়ার কংগ্রেস নেতা নেপাল মাহাতোর সঙ্গে। অভিযোগ, শুক্রবার সকাল থেকে বহু সন্ধান করেও কেউ সন্ময়ের কোনও হদিশ পাননি। দুপুরের পরে পুরুলিয়া সদর আদালতে তোলা হয় সন্ময়কে। এদিন বিচারক তাঁর দুদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

আগরপাড়ায় নিজের অফিসে বসেছিলেন সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি সাংবাদিক হিসেবেও পরিচিত। তাঁর দাদা তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, সন্ময়কে কার্যত কিডন্যাপ করেছে পুলিশ। সমাজে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত সন্ময়কে বিনা নোটিশে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে সাদা পোশাকের পুলিশ। তাঁর আরও অভিযোগ, তৃণমূলে যোগ না দেওয়াতেই এই চক্রান্ত করেছে শাসকদল। শাসকদলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জন্যই এই গ্রেফতার বলে দাবি কংগ্রেস নেতা অরুনাভ ঘোষের। কংগ্রেসের অভিযোগ, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহপাঠী ছিলেন সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজীব কুমার কাণ্ডে রাজ্য সরকার ও স্বরাষ্ট্র সচিবের ভূমিকার সমালোচনা করে বন্ধু আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলা চিঠি লিখেছিলেন সন্ময়। অভিযোগ, সেই কারণেই এই পরিণতি সন্ময়ের। তবে প্রশাসনিক কেষ্টবিষ্টুদের এই ধরণের অসহিষ্ণুতায় প্রবল সমালোচনায় রাজ্যের সব মহলই। ফের অস্বস্তির মুখে রাজ্যের তৃণমূল সরকার।