ষষ্ঠদফায় বারবার আক্রান্ত সিএন

0
221

ষষ্ঠ দফার ভোটের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বারবার আক্রান্ত সিএন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোনওমতে ঘটনাস্থল ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে এলেন প্রতিনিধি ও চিত্রসাংবাদিকরা। আরও একবার আক্রমণ নেমে এল গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের ওপর। কেশপুরের কোলদায় সিএনের প্রতিনিধি ও চিত্রসাংবাদিক গাড়িতে করেই ভোটগ্রহণে সংবাদ সংগ্রহ করতে বেরিয়েছিলেন। ভারতী ঘোষ তখন কোলদার বড়গাছিয়ায় একটি বুথে ঢুকতে বাধার সম্মুখীন। তৃণমূল সমর্থকরা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। আচমকা ভারতী ঘোষকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। চারিদিক থেকে হরিরলুঠের বাতাসার মতো ইটের টুকরো পড়তে থাকে। ঘটনাস্থল ছেড়ে বেরোনোর ঠিক আগের মুহূর্তে সিএন-এর গাড়িতেও এসে পড়ে আধলা ইটে। ভেঙে চুরমার হয়ে যায় কাচ।
এখানেই শেষ নয়। বাঁকুড়ার দেওলিতে বুথে রিগিংয়ের অভিযোগ ওঠায় সেখানে পৌঁছেছিল সিএন। সেখানে পোলিং এজেন্টের বিরুদ্ধে প্রতিনিধিদের হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। ছাতনায় বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এলাকা ঘিরে রেখেছে তৃণমূল। অভিযোগ, বুথ দখল করে ইভিএম ভাঙচুর করা হয়। সেই খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হয় সিএন। সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিককে ঘিরে রাখে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আটকে রাখা হয় বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারকেও। তিনি কোনও ক্রমে বেরিয়ে এসে সিএনের গাড়িতে আশ্রয় নেন। আহত হন এক বিজেপি কর্মী, তাঁর মাথা ফেটে যায়। সম্পূর্ণ ঘটনা জানানো হয় বাঁকুড়ার জেলাশাসককে। তাঁর নির্দেশে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রায় আড়াই ঘণ্টা আটকে থাকার পরে, কোনও ক্রমে প্রাণ হাতে নিয়ে বেরিয়ে আসেন সিএনের প্রতিনিধিরা।
সিএনের এর উপর এমন বর্বোরোচিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দায় সরব হন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের উপর কেন বারবার এমন আক্রমণ? কেন রাজনৈতিক দলের রোষের মুখে পড়তে হবে সংবাদমাধ্যমকে? যতবার রাজনৈতিক দলের হাতে সংবাদমাধ্যম আক্রান্ত হয় ততবার এই প্রশ্নগুলিই সামনে আসে। কিন্তু কোনও সদুত্তর মেলে না।