চুপ থাকাও প্রতিবাদ! কবিতায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী

0
632

এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বোঝালেন অনেক সময়ই তাঁর চুপ করে থাকা অনেক সরব হওয়ার থেকেও বড়। নিরাবতা প্রতিবাদ বা শক্তিশালী বক্তব্যের সামিল। বিষয়টি নিয়ে জটিল সমীকরণে উত্তর দিলেও তাতে কি সোজাসাপটা বোঝাতে চেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ? সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় রীতিমত তোলপাড় হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর লেখা একটি কবিতা নিয়ে। কবিতায় বললেন না বলা কথা। আবার বলেও বললেন না কি বলতে চেয়েছেন। শুধু বুঝিয়েছেন না বলা কথা অনেক বেশি শক্তিশালী। তাহলে কি তৃণমূল সুপ্রিমো ঘুরিয়ে অযোধ্যা রায় প্রসঙ্গে তাঁর চুপ থাকা নিয়ে জবাব দিলেন বিরোধীদের? জল্পনা তুঙ্গে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।

এই লাইনগুলিকে নিয়ে রীতিমত বিশ্লেষণে বসেছেন রাজনীতিকরা।লাইনগুলির আক্ষরিক অর্থ এই যে, মুখ্যমন্ত্রী এমন কোনও ঘটনা নিয়ে কিছু বলেননি যা নিয়ে যা তার বলার থেকেও না বলায় অনেক বেশী শক্তিশালি জবাব দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন সাম্প্রতিক বড় ঘটনা অযোধ্যা মামলার রায়। তার পরেই লেখা এই কবিতা। কবিতার সূত্র ধরলে এই ঐতিহাসিক রায়ের পরও তৃণমূল সুপ্রিমো কোনও কথা বলেননি। ধরে নেওয়া যেতে পারে অযোধ্যা নিয়ে তাঁর চুপ থাকার কারণটা তিনি নিজেই ‘গদ্য কবিতায় পক্তিতিতে’ জানালেন। যদিও এই চুপ থাকা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাডেননি বিজেপি নেতারা। বলছেন, আসলে ভোট কূল বাঁচাতে চুপ থাকা ছাড়া আর কোনও রাস্তা ছিল না মুখ্যমন্ত্রীর। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের কবিতায় জানালেন নতুন প্রতিবাদের ভাষা। না বলেও অনেক শক্তিশালী কথা বলা যায়। এখন দেখার আগামীদেও কি তিনি একই পথ অনুসরণ করবেন? এর আগে অসমের নাগরিকপঞ্জি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন ‘পরিচয়’ কবিতা। চিদাম্বরমের গ্রেফতারিতে লিখেছিলেন ‘ঠিকানা’। এছাড়া কাশ্মীরের ৫ শ্রমিক হত্যা, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনার প্রতিবাদেও লিখেছিলেন কবিতা।