চন্দননগরের আদি মা

0
207

দুর্গাপুজো, কালীপুজো শেষ, এবার জগদ্ধাত্রী পুজোর পালা। আর জগদ্ধাত্রী পুজো মানেই চন্দননগর। আজ পঞ্চমী, চন্দননগরের আদি মায়ের পুজোতে ইতিমধ্যেই ভিড় জমাচ্ছেন পূণ্যার্থীরা। ইতিহাস বলছে, চন্দননগরের ‘আদি মা’ জগদ্ধাত্রী পুজোর বয়স প্রায় ৩৫০ বছর। অনেক গল্প, লোকগাথা ছড়িয়ে রয়েছে চন্দননগরের প্রাচীন এই পুজোর সঙ্গে। এখনও এই পুজোর সংকল্প হয় কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নায়েব ইন্দ্রনারায়ন রায়ের নামে।

সাবেকি ডাকের সাজের সঙ্গে মায়ের মূর্তিতে থাকে সোনা ও রুপোর গহনা। শুক্রবার পঞ্চমীর দিন এখানকার প্রতিমাকে সোনা-রুপোর গহনা পড়ানো হয়েছে। এই বিশেষ রীতি দেখতে কলকাতা ও আশেপাশের কয়েকটি জেলা থেকে এসেছিলেন কয়েক হাজার দর্শনার্থী। ষষ্ঠী থেকেই পুজো শুরু হলেও মূল পুজো হয় নবমীর দিন।

চন্দননগরের আদি মা-এর পুজোর সঙ্গে যুক্ত কর্তারা জানালেন, এখানে বংশ পরম্পরায় শিল্পীরা কাজ করে আসছেন আজও। মায়ের প্রতিমা, শোলার ডাকের সাজ, পুরোহিত, গহনা শিল্পী, ভোগের রাধুনী সকলেই বংশ পরম্পরায় করছেন। মায়ের ভোগ সম্পূর্ণ নিরামিষ, এবং আগত সকল পূণ্যার্থীই ভোগ পান এখানে। এছাড়াও চন্দননগরে গঙ্গার একটিমাত্র ঘাটে আদি মায়ের বিসর্জন হয়। সেখানে অন্য কোনও প্রতিমা বিসর্জন হয়না বলেই দাবি উদ্যোক্তাদের। জগদ্ধাত্রী পুজোর তিনদিন এখানে লক্ষাধিক মানুষের ভিড় হয়। কারণ মানুষের বিশ্বাসে চন্দননগরের সবচেয়ে জাগ্রত আদি মা।