ছন্দে ফেরার লড়াই বকখালির

0
182

সামনেই ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাস পর্যটনের ভরা মরসুম। কিন্তু বুলবুল বিধ্বস্ত বকখালি এখন ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে ব্যস্ত। বুলবুলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বকখালির সমুদ্রতট। পাশাপাশি বকখালি বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া একটি দোকানও আস্ত নেই। ফলে যেটেকু বেঁচে গিয়েছে সেটুকু নিয়েই ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া এলাকাবাসী। পর্যটন মরসুম শুরু হয়ে গেলেও পর্যটকশূন্য বকখালি। সুনসান সমুদ্রতট, খালি হোটেলগুলি। তবে ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরবে এলাকা বলেই আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। শুরু হয়েছে ভাঙা দোকান-ঘরবাড়ি মেরামতির কাজ। যেটুকু পণ্যসামগ্রী বেঁচে গিয়েছে সেগুলিই শুকিয়ে মজুত করার কাজও চলছে সমানতালে।

এই কর্মযজ্ঞের মাঝেই চারিদিকে এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বুলবুলের তাণ্ডবের ছবি। দোকানপাট থেকে গৃহস্থের বাড়িঘর, তছনছ হয়ে গিয়েছে সবকিছুই। বিঘের পর বিঘে চাষের জমি নষ্ট হয়ে গিয়েছে ঝড়ের দাপটে। ফলে সরাকারি কর্মীদের সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কারের কাজে হাত লাগিয়েছেন চারটি ফিসারমেনস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা। তাঁরাই এলাকায় এলাকায় চুন-ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে জলবাহিত রোগের প্রকোপ যাতে না ছড়ায় সেই চেষ্টায় রয়েছেন। বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, কয়লাঘাটাতে দেওয়া হয়েছে ৬ টন চুন ও ব্লিচিং পাউডার। সতর্ক রয়েছেন স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরাও। তবুও আতঙ্কে প্রহর গুনছেন বকখালি ফ্রেজারগঞ্জের মানুষ। কবে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে পর্যটকে থিকথিক করা বকখালি? চিন্তায় ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ।