হাতি ঠেকাতে অটোমেটিক সেন্সর

0
197

গ্রামের ভিতর হাতি ঢুকে পরার ঘটনা দিনদিন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজ্য প্রশাসনের। কখনও হাতি-মানুষ সংঘাত, কখনও আবার হাতির হানায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। ফলে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল বনদপ্তর। হাতির করিডরে বসানো হল অটোমেটিক এলিফ্যান্ট ট্র‍্যাকিং সেন্সর লার্ম।
প্রথম ধাপে সোমবার শিলিগুড়ির অদূরে গুলমা রেঞ্জের পুন্ডিং খৈরানি বনবস্তি এলাকায় আটটি অটোমেটিক এলিফ্যান্ট ট্র্যাকিং সেন্সর অ্যালার্ম বসানো হল। এর সফলতা মিললে আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় এই সেন্সর বসানো হবে বলে জানিয়েছে বনকর্তারা। ওই অভিনব উদ্যোগে বনদফতরের হাত ধরেছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সোশাইটি ফর নেচার অ্যান্ড অ্যানিমাল প্রোটেকশনের সদস্যরা।
মঙ্গলবার বিশ্ব হাতিদিবস। ফলে এদিনই বনদপ্তর ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তরফে মহানন্দা অভয়ারণ্য গুলমা রেঞ্জের অধীন পুন্ডিং খৈরানি বনবস্তিতে প্রচার চালানো হল।
গ্রামবাসীদের কথায়, খৈরানি বনবস্তিতে প্রায়ই হাতির হানার ঘটনা ঘটে। খাবারের খোঁজে কখনও ভাঙে বাড়িঘর। তো আবার কখনও উন্মত্ত হাতির রোষের মুখে পড়ে প্রাণ হারাতে হয়েছে অনেককেই। এবার এই যন্ত্র ঠিকঠাক কাজ করলে এই ধরনের ঘটনা কমানো যাবে বলেই মনে করছেন বনকর্তারা।
উল্লেখ্য, বনদপ্তরের উদ্যোগে সম্প্রতি জলদাপাড়া এলাকায় হাতি করিডরে প্রায় আটটি সেন্সর বসানো হয়েছিল। তাতে সফলতা মিলতেই পরবর্তীতে পাইলট প্রোজেক্ট নেওয়া হল গুলমা রেঞ্জ এলাকায়৷