ব্লু হোয়েলের পর এবার মোমো

0
73

ব্লু হোয়েলের আতঙ্ক কাটতে না-কাটতেই হাজির সুইসাইড গেম ‘মোমো’। মূলত হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে গেমটি ছড়াচ্ছে। আর্জেন্টিনায় এক কিশোরীর আত্মহত্যার পরে বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কিশোরীর মৃত্যুর ধরন দেখে তদন্তকারীদের সন্দেহ রীতিমতো জোরালো। কিশোরীটি মারা যাওয়ার আগে একটি ভিডিওয় মা-বাবাকে ‘মোমো’র থেকে সাবধানে থাকতে বলে গিয়েছে। পুলিশের ধারণা, চ্যালেঞ্জের অংশ হিসেবে ওই কিশোরীকে আত্মহত্যা করতে বলা হয়েছিল। ‘মোমো’র দেখা পাওয়া গেছে মেক্সিকো, আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশেও। ‘মোমো’র লিঙ্ক খুললেই ভেসে ওঠে ভয়ঙ্কর একটি মুখ। যাবতীয় কথাবার্তা সে-ই বলে। এই মুখ দেখে শিশুরা ভয়ে কাঁপবে, সেটা স্বাভাবিক। জানা গিয়েছে, শুরুতেই বলা হয়, হয় চ্যালেঞ্জ গ্রহণ কর, নইলে সশরীরে বাড়ি এসে অভিশাপ দেওয়া হবে। করা হবে খুনও। হাজির হবে ভয়াল চেহারার কেউ। যে ভয়াল চেহারাটি ভেসে উঠছে, তা জাপানি শিল্পী মিদোরি হায়াশির একটি শিল্পকর্ম থেকে নেওয়া। ওই শিল্পী তাঁর ফেসবুক পেজে অবশ্য লিখেছেন, ‘মোমো পাখি’ তাঁর শিল্পকর্ম নয়। তদন্তকারীরা জেনেছেন, একাধিক নম্বর থেকে লিঙ্ক পাঠানো হচ্ছে। আর্জেন্টিনার এক বাবা পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁর মেয়েকে ক্ষতবিক্ষত একটি শিশুর মৃতদেহের ছবি পাঠিয়ে বলা হয়েছে, চ্যালেঞ্জ গ্রহণ না-করলে তাঁর পরিবারের সকলের এই হাল হবে। পুলিশের বক্তব্য, এই মুহূর্তে সতর্কতাই একমাত্র রাস্তা। অভিভাবকদের মোবাইল নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে, সন্তানরা কী গেম খেলছে।