তৃতীয় মেয়ের আশঙ্কা, কুপিয়ে খুন করে অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রীর দেহ পুড়িয়ে দিল স্বামী

0
840

শুধুমাত্র কন্যাসন্তান জন্মের অনুমানেই নিজের অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করল এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রীর দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে পুড়িয়ে প্রমান লোপাটের চেষ্টাও করেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, তাঁরই বড়মেয়ের বয়ানে ধরা পড়ে গেলেন তিনি। ভয়ানক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের রায়বেরিলিতে। ঘাতক স্বামীর নাম, রবীন্দ্র কুমার। তাঁর আগের দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। এবারও তাঁর কন্যাসন্তান হতে পারে বলে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্রের সঙ্গে উর্মীলার বিয়ে হয় ২০১১ সালে। তাঁদের সাত ও এগারো বছরের দুই মেয়ে রয়েছে। সম্প্রতি উর্মীলা অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়েন। কিন্তু এবারও স্ত্রী কন্যাসন্তান প্রসব করতে পারে বলে অনুমান করছিলেন রবীন্দ্র কুমার। খুনের ঘটনা ঘটে গত ৪ জানুয়ারি। কিন্তু প্রমান লোপাট করে রবীন্দ্র রটিয়ে দেয় স্ত্রী নিখোঁজ। কিন্তু বড়মেয়েই ধরিয়ে দিল তাঁকে। মামাবাড়িতে গিয়েই সে মুখ খোলে। শিশুর সারল্যেই সে জানিয়ে দেয় মাকে কিভাবে মেরেছে বাবা। এরপরই উর্মীলার বোন, উত্তরপ্রদেশের দেহ থানায় এফআইআর করেন। দেহ থানার পুলিশ গোটা ব্যাপারটা জানায় রায়বেরিলি পুলিশকে। তারপরই পুলিশ গ্রেফতার করে রবীন্দ্র কুমারকে। তাঁকে নিয়ে রায়বেরিলির বাইরে এক ফাঁকা জায়গায় হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় দগ্ধ দেহের ছাই। সেগুলি সংগ্রহ করে লখনউ ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়েছে। যদিও স্ত্রীকে খুনের দায় স্বীকার করেছে রবীন্দ্র। তাঁর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল কিনা জানতে তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। তবে গোটা ঘটনার ভয়াবহতায় হতবাক রায়বেরিলির মানুষ।