নির্মল দাবির বাস্তবতা

0
107

খাতায় কলমে নির্মল ব্লক ঘোষণা হয়ে হয়েছে অনেক আগেই। সে জন্য প্রশংসা ও পুরস্কার পেয়েছেন আধিকারিকরা। কিন্তু সেই এলাকার বাস্তব চিত্রটা একেবারেই অন্যরকম। এখনও ওই এলাকার বেশ কিছু মানুষ মলমূত্র ত্যাগ করেন উন্মুক্ত সেই মাঠে কিংবা জঙ্গলেই। সরকারি তথ্য ও বাস্তবের মধ্যে রয়েছে বিস্তর ফারাক। আর সেই মানুষের জীবনযাত্রার সাবেক ছবিরই দেখা মেলে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি ব্লকে।
এখনও অনেক বাড়িতে নেই শৌচাগার। পাশাপাশি বেশ কিছু বাড়িতে শৌচাগার থাকলেও সেগুলি ব্যবহার হচ্ছে গোয়ালঘর হিসাবে। সরকারি অনুদানের তৈরি শৌচাগারগুলোর বেহাল অবস্থা। তাই ভরসা খোলা আকাশের নীচে মাঠজঙ্গলে। গরু ছাগলের আশ্রয় হিসাবে বা জ্বালানি রাখার ঘর হিসাবে শৌচাগার ব্যবহার করছেন অনেক মানুষ।। নিম্ন মানের কাজের ফলে বছর ঘরতে না ঘুরতেই বহু বাড়িতে ভেঙে পড়েছে শৌচাগার।।
মুর্শিদাবাদ জেলাকে সরকারিভাবে নির্মল জেলা ঘোষণা করা না হলেও প্রশাসনের দাবি, ১০০ শতাংশ বাড়িতেই শৌচাগার রয়েছে। তৃণমূল বিধয়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর নিজের কেন্দ্রেই তা হয়নি। সাগরদিঘি ব্লকের অনেক মানুষ এখনও বাড়িতে শৌচাগারের অভাবে খোলা জায়গায় ব্যবহার করছেন। সরকারি প্রচার বা ফাইনের তোয়াক্কা না করেই চলছে খোলা জায়গায় মলত্যাগ।
শুরুতে প্রশাসন কড়াকড়ি করলেও এখন তাদেরই ঢিলেমিতে বেশ কিছু মানুষ তাদের পুরানো অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না। ইতিমধ্যেই অযত্নে এবং নিম্নমানের ইমারতি সামগ্রী ব্যবহার করায় ভেঙে পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের তৈরি শৌচাগারগুলি।