নিজের সন্তানের খেলার সঙ্গীকেই ধর্ষণ করলেন এক ব্যাক্তি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ার জেলার বারোবিশায়। বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া লালস্কুল গ্রামে মঙ্গলবার বিকেলে বাড়ির পাশেই খেলতে যায় আট বছরের ওই শিশু। এরপর সন্ধ্যে হয়ে এলেও বাড়ি না ফেরায় খোঁজ শুরু করেন পরিবারের লোকজন। এসময়ই হঠাৎ করেই গ্রামেরই এক বাসিন্দা শম্ভু রায় ওই নাবালিকার জুতো নিয়ে এসে দেখান। এই জুতো সে কোথায় পেল জানতে চাইলে অসংলগ্ন উত্তর দিতে থাকে শম্ভু রায়। তখনই সন্দেহ হলে চেপে ধরেন গ্রামবাসীরা। খবর যায় কুমারগ্রাম থানায়। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে চেপে ধরতেই ধর্ষণের কথা স্বীকার করে নেয় সে। এরপর ওই নাবালিকা কোথায় আছে জানতে চাইলে খুনের কথাও স্বীকার করে নেয় সে। জেরায় সে জানায় ধর্ষণের সময় চিৎকার চেচামেচি করতেই শিশুটিকে পড়নের গেঞ্জি দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে নদীর চরে পুঁতে দিয়েছে সে।

পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই স্থানীয় রায়ডাক নদীর চরে গিয়ে মাটি খুঁড়ে তৃতীয় শ্রেণীর ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শম্ভুকে গ্রেফতার করেছে কুমারগ্রাম থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে বারোবিশা এলাকায়। অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা। শিশুটির মা অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি করছেন। বিক্ষোভ দেখিয়েছেন এলাকাবাসীরাও। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শম্ভু রায়ের ছেলের সঙ্গেই খেলাধুলা করত মৃত শিশুটি। ফলে শুধুমাত্র ধর্ষণের উদ্দেশ্যেই এই খুন কিনা খতিয়ে দেখছে কুমারগ্রাম থানার পুলিশ। বুধবারই ধৃতকে আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।