ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে কার্যত তছনছ দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগণার বিস্তৃর্ণ এলাকা। ঘূর্ণিঝড়ের মূল রাস্তায় ভেঙে পড়েছে যাবতীয় পরিকাঠামো। ফলে সবচেয়ে জরুরী পরিষেবাও চালু করার মতো পরিস্থিতিতে নেই রাজ্য প্রশাসন। পানীয় জল ও খাবার ও বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু করতে অনেকটাই সময় লেগে যাবে বলে মনে করছেন নবান্নের শীর্ঘকর্তারা। এই পরিস্থিতিতে আমফান দুর্গত এলাকায় ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে পরিষেবা চালু করতে কেন্দ্রের কাছে সেনাবাহিনী তলব করল নবান্ন। শনিবার বিকেলেই রাজ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ট্যুইট করে জানায় এই কথা। পাশাপাশি রেল বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছেও প্রয়োজনীয় সাহায্য চেয়েছে নবান্ন। এদিনও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার দুর্গত এালাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর কাকদ্বীপে এক প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে বললেও এলাকা পুনর্গঠনে সেনাবাহিনী নামানোর কথা জানাননি মুখ্যমন্ত্রী। এর কিছু পড়েই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ট্যুইট করে জানায় ২৪ ঘন্টা উদ্ধার কাজ চালাতে অসম শক্তি চাই। তাই সেনাবাহিনীর সাহায্য চাইছি। এছাড়াও এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ দল নামানো হোক পশ্চিমবঙ্গে। এর আগেই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল রাজ্যে আরও ১০ এনডিআরএফ দল পাঠানো হচ্ছে।