Financial aid CN

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলা। পাশাপাশি আমফানের দাপটে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পড়শি রাজ্য ওডিশাতেও। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি ঘূর্ণিঝড় আমফানকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। ঝড়ের একদিন পরই দুই রাজ্য পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘোষণা করেছেন আর্থিক সাহায্যের অঙ্ক। এই পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে দাঁড়াল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আমফান বিধ্বস্ত মানুষদের জন্য প্রাথমিক ভাবে পাঁচ লক্ষ ইউরো আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করল তাঁরা। বাংলা ও ওডিশায় হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন। সামান্য খাবার ও পানীয় জলের সুবিধাও নেই ধ্বংসস্তুপে পরিনত হওয়া গ্রামগুলিতে।

পশ্চিমবঙ্গে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৮৬ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে এল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরফে আপাতত ভারতকে পাঁচ লক্ষ ইউরো বাংলাদেশকে ১১ লক্ষ ইউরা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।  ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনার ফর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট জানেজ লেনারসিক বলেন, আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ যেসব স্বাস্থ্যকর্মী সমাজকর্মীরা করোনার মধ্যেও কাজ করছেন অনেকে। তাঁদের বাঁচাতে সচেষ্ট হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। লেনারসির বলেছেন, এই দুই দেশে যেভাবে মানুষ মারা গিয়েছেন তাতে তাঁরা দুঃখিত। ভারত বাংলাদেশের মানুষ কী অবস্থায় আছে, সেটা ভেবেই তিনি কষ্ট হচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, এই সময় সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং রাখা খুব দরকার, তখনই এরকম হল। করোনা সংকটের ওপর আরেকটি সংকট হয়ে সামনে এল ঘূর্ণিঝড় আমফান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরফে স্যাটেলাইট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বোঝার চেষ্টা চলছে। তবে দুই দেশের প্রশাসন যেভাবে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে হাত লাগিয়েছে, সেটাকেও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।