প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান আছড়ে পড়েছে বুধবার। এরপর ৪৮ ঘন্টা পার হয়েছে। ফলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতেও রাজনীতি করতে চাইছেন না রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, ‘রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। কিন্তু এখন পীড়িতদের পাশে সকলকে থাকতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলার সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী চলে এসেছেন। বাংলার প্রতি প্রধানমন্ত্রী সিরিয়াস’। খড়গপুরের সাংসদের কথায়, এর থেকেই বোঝা যায় বাংলার মানুষের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসা ও সমবেদনা কতটা। পাশাপাশি দিলীপবাবু এদিন আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় দুর্গত বাংলার মানুষদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক সাহায্য যা করবে তা যেন সরাসরি পীড়িতদের ব্যাঙ্ক আকাউন্টে দেওয়া হয়’। এই বিষয়ে রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে একটি চিঠি তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে তিনি যান। সেখান থেকে বেরিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় হয়েছে। এর বেশি কিছু নয়। প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী রাজ্যের পরিস্থিতি, কত ক্ষতি হয়েছে তার একটা অনুমান আমরা সেই চিঠিতে দিয়েছি। করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় জারি হওয়া লকডাউনে কড়াকড়ি করছে না রাজ্য প্রশাসন, এর আগে এই অভিযোগ তুলেছিল রাজ্য বিজেপি। পাশাপাশি করোনায় রেশন বন্টন নিয়ে দুর্ণীতি, ত্রাণ বিলিতে বাধা দেওয়া নিয়েও সরব হয়েছে দিলীপ ঘোষরা। এবার সেই সুরেই রাজ্য সরকারের ওপর আস্থা না রেখে আমফান দুর্গতদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা দেওয়ার দাবি তুলল রাজ্য বিজেপি।